স্বাস্থ্য প্রশাসন

অধ্যাপক পদে ১৪ চিকিৎসককে পিএসসির মনোনয়ন

ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে অধ্যাপক (তৃতীয় গ্রেড) পদে নিয়োগের জন্য ১৪ জন চিকিৎসক প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। মেধাক্রমের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অধীন এসব পদে তাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অধ্যাপক (অ্যানেসথেসিওলজি) পদে পাঁচজন, কার্ডিওলজিতে দুজন, থোরাসিক সার্জারিতে একজন, মাইক্রোবায়োলজিতে চারজন, রেসপিরেটরি মেডিসিনে একজন ও সাইকিয়াট্রিতে একজনকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

অ্যানেসথেসিওলজি পদে মনোনীতদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ১০১০০৭, ১০১০১১, ১০১০০১, ১০১০০৩ ও ১০১০১৩। কার্ডিওলজি পদে ১০৩০১১ ও ১০৩০০৭ নম্বরধারী দুই প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন।

থোরাসিক সার্জারি পদে ১১১০০২ নম্বরধারী একজন, মাইক্রোবায়োলজি পদে ১০৫০১০, ১০৫০১৪, ১০৫০১৩ ও ১০৫০০৮ নম্বরধারী চারজন, রেসপিরেটরি মেডিসিন পদে ১১০০০১ নম্বরধারী একজন এবং সাইকিয়াট্রি পদে ১০৮০০৫ নম্বরধারী একজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, অধ্যাপক (ইউরোলজি), অধ্যাপক (ইএনটি), অধ্যাপক (পেডিয়াট্রিক) ও অধ্যাপক (ব্লাড ট্রান্সফিউশন) পদে যোগ্য কোনো প্রার্থী না পাওয়ায় এসব পদে কাউকে সাময়িক মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

পিএসসি জানিয়েছে, প্রার্থীদের আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া তথ্য, ডকুমেন্ট, সনদ ও অঙ্গীকারনামার ভিত্তিতে এ সাময়িক মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তবে নিয়োগের আগে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মনোনীতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও অন্যান্য ডকুমেন্টের সত্যতা যাচাই করতে হবে। একই সঙ্গে যথাযথ এজেন্সির মাধ্যমে তাদের প্রাক্-নিয়োগ জীবনবৃত্তান্তও যাচাই করা হবে।

এসব যাচাই শেষে মনোনীত প্রার্থীদের যোগ্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের নিয়োগ দেবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাময়িকভাবে মনোনীত কোনো প্রার্থী আবেদনপত্রে জ্ঞাতসারে ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিলে, প্রয়োজনীয় তথ্য গোপন করলে, টেম্পারিং বা জাল সনদ জমা দিলে কিংবা বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা-সংক্রান্ত সনদ বা প্রবেশপত্রে প্রতারণার আশ্রয় নিলে বিজ্ঞাপনের শর্ত অনুযায়ী তার মনোনয়ন বাতিল হতে পারে। গুরুতর কোনো অসম্পূর্ণতা ধরা পড়লেও মনোনয়ন বাতিল করা হতে পারে।

এ ধরনের অপরাধে জড়িত প্রার্থীকে ক্ষেত্রবিশেষে ফৌজদারি আইনে সোপর্দ করা হতে পারে। চাকরিতে নিয়োগের পরও এসব তথ্য প্রকাশিত ও প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

পিএসসি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, সাময়িক মনোনয়ন অধ্যাপক পদে চাকরি পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়। এর মাধ্যমে মনোনীত প্রার্থীর কোনো অধিকারও সৃষ্টি হবে না। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যোগ্য ঘোষণা এবং যথাযথ এজেন্সির মাধ্যমে প্রাক্-নিয়োগ জীবনবৃত্তান্ত যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে মনোনীত প্রার্থীদের নিয়োগ দেবে।

ভোরের আকাশ/সু.পা

অধ্যাপক পদে ১৪ চিকিৎসককে পিএসসির মনোনয়ন | স্বাস্থ্য কথা