শায়খ আহমাদুল্লাহর হাদিয়া না নেওয়ার ঘটনা তুলে ধরে যা বললেন রুহুল আমিন সাদী

অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, লেখক ও গবেষক রুহুল আমিন সাদী শায়খ আহমাদুল্লাহকে নিয়ে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, সিলেটে একটি দ্বীনি অনুষ্ঠানে শায়খ আহমাদুল্লাহ হাদিয়া গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন এবং বিষয়টি নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
পোস্টে তিনি জানান, প্রায় দুই মাস আগে সিলেটে অনুষ্ঠিত একটি ‘দ্বীনি হালাকা’ অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজক শায়খ আহমাদুল্লাহকে এক লাখ টাকার হাদিয়া দিতে চাইলে তিনি তা বিনয়ের সঙ্গে ফিরিয়ে দেন। কারণ হিসেবে তিনি নাকি বলেন, হাদিয়া নেওয়া শরিয়তসম্মত হলেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে হাদিয়া না নেওয়ার আমল অনুসরণ করছেন এবং এ নীতিতে অটল থাকতে চান।
রুহুল আমিন সাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, পরদিন ঢাকায় ফেরার পথে আয়োজক গোপনে শায়খের সফরসঙ্গীর মাধ্যমে একটি খাম পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। পরে জানা যায়, ওই খামে আগের প্রস্তাবিত অর্থের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি টাকার একটি চেক ছিল।
তিনি আরও দাবি করেন, বিষয়টি শায়খ আহমাদুল্লাহও তাৎক্ষণিকভাবে জানতেন না। পরবর্তীতে হজ সফরের কারণে এ বিষয়ে আর কোনো আলোচনা হয়নি।
পোস্টে রুহুল আমিন সাদী আরও বলেন, সম্প্রতি শায়খ আহমাদুল্লাহর আয়ের উৎস নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার জবাব এ ধরনের ঘটনাতেই পাওয়া যায়। তার দাবি, শায়খের বইয়ের বিক্রি, প্রকাশনা এবং অন্যান্য বৈধ আয়ের উৎস রয়েছে। তাই জীবিকা নির্বাহের জন্য তার ওয়াজ বা অন্য কোনো মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের প্রয়োজন নেই।
পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, কারও আয়ের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন তোলার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলা উচিত। প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা সমীচীন নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভোরের আকাশ/এনএ