শিরোনাম
রোহিঙ্গা সংকট কেবল মানবিক সমস্যা নয়, এটি গভীর রাজনৈতিক ইস্যু: শামা ওবায়েদটিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে আটক ৩ জনের পরিচয় মিললরাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে, অফিসে নয়: কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীমালিবাগ সিআইডি অফিসের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণবন্দরে পড়ে থাকা সাড়ে ৬ হাজার কনটেইনার ধ্বংসের উদ্যোগরাজধানীতে এবার স্কুল বাসে আগুনশেখ হাসিনার প্রতিটি হত্যার বিচার হবে: রিজভীপররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীরোহিঙ্গা সংকট কেবল মানবিক সমস্যা নয়, এটি গভীর রাজনৈতিক ইস্যু: শামা ওবায়েদটিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে আটক ৩ জনের পরিচয় মিললরাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে, অফিসে নয়: কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীমালিবাগ সিআইডি অফিসের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণবন্দরে পড়ে থাকা সাড়ে ৬ হাজার কনটেইনার ধ্বংসের উদ্যোগরাজধানীতে এবার স্কুল বাসে আগুনশেখ হাসিনার প্রতিটি হত্যার বিচার হবে: রিজভীপররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী

আগামী নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতাচ্যুত হবে: ককরোচ প্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
আগামী নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতাচ্যুত হবে: ককরোচ প্রধান
আগামী নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতাচ্যুত হবে: ককরোচ প্রধান

ভারতের তরুণ নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে, ২০২৯ সালের পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হবে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ভারতের কেরালার কোচিতে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন এবং কেন্দ্রে সরকার পরিবর্তনের জন্য সাধারণ মানুষকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।

সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়ে কেবল নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারের পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। এ জন্য তিনি দেশে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জোর দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সিজেপির বিশেষ প্রচারণা কর্মসূচি ‘যন্তর মন্তর অ্যাট কোচি’-র অংশ হিসেবে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেখানে অভিযোগ তুলে অভিজিৎ দিপকে বলেন, ক্ষমতাসীন এনডিএ সরকার দেশের তরুণ সমাজের বিরুদ্ধে একপ্রকার ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অসৎ উদ্দেশ্যে রক্ষা করতে সরকার মরিয়া মন্তব্য করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে আড়াল করা কেন কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ?

বক্তব্যকালে জাতীয় পতাকা হাতে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন করতে গিয়ে দলের অন্য নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কারের সঙ্গে নিজের গ্রেফতার হওয়ার ঘটনার কথা স্মরণ করেন তিনি। দিপকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যেকোনো মূল্যে তাঁরা জাতীয় পতাকাকে সমন্নত রাখবেন।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'কেবল জাতীয় ত্রিবর্ণ পতাকা প্রদর্শন ও গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলার জন্য আমাকে ও আমার দুই সহযোদ্ধা সৌরভ ও আশুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ভারতে এমন নজিরবিহীন দমনপীড়ন কেবল ব্রিটিশ শাসনামলেই দেখা গেছে।'

ভোরের আকাশ/আ.র

শেয়ার করুন: