মার্কিন হামলার বিষয়ে সৌদি-তুরস্ককে অবহিত করলেন আব্বাস আরাগচি

ইরানের উপকূলীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার পর কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে তেহরান। হামলার বিষয়ে সৌদি আরব ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথক ফোনালাপে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
ইরানি বার্তা সংস্থা ইরনার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১০ জুন) সৌদি ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাদা আলাদা ফোনালাপে যুক্ত হন আরাগচি। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং ইরানের ভৌগোলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘনের বিষয়টি তুলে ধরেন।
ফোনালাপে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার ইরানের রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সেই অধিকার প্রয়োগ করা হবে।
উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে গত সোমবার, যখন হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে দায়ী করে দাবি করেন, হেলিকপ্টারটি ভূপাতিত করা হয়েছে। এরপরই তিনি এর কঠোর জবাব দেওয়ার হুমকি দেন।
ট্রাম্পের ওই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের উপকূলীয় বিভিন্ন স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান।
তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগেই উভয় পক্ষ সাময়িকভাবে হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র হামলা স্থগিতের কথা জানিয়েছে। একই ধরনের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ডও।
তবে সতর্কবার্তাও দিয়েছে তেহরান। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বলেছে, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে কোনো আগ্রাসন চালালে তার জবাব আগের চেয়ে আরও কঠোরভাবে দেওয়া হবে। সূত্র: মেহের নিউজ
ভোরের আকাশ/সু.পা