শিরোনাম
নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবনভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব

পাকিস্তানের সঙ্গে পানি চুক্তি বহালে আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশ প্রত্যাখ্যান ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের সঙ্গে পানিবণ্টন চুক্তি স্থগিতের সিদ্ধান্ত বাতিল করে ভারতকে চুক্তির বাধ্যবাধকতা মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক সালিসি আদালত। তবে ওই নির্দেশ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। নয়াদিল্লি বলেছে, হেগভিত্তিক এই আদালত ‘অবৈধভাবে গঠিত’ এবং এর অস্তিত্বই ভারত স্বীকার করে না।

গতকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতের অন্তর্বর্তী নির্দেশও তারা মানবে না। ওই নির্দেশে জম্মু ও কাশ্মীরে ‘রাটলে’ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কিছু কাঠামো নির্মাণে ভারতকে সাময়িকভাবে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

এর আগে স্থায়ী সালিসি আদালত বলেছিলেন, ১৯৬০ সাল থেকে কার্যকর ‘সিন্ধু পানি চুক্তি’ এখনো পুরোপুরি বহাল রয়েছে। চুক্তি স্থগিত বা বাতিল করার ক্ষেত্রে ভারতের কোনো বৈধ কারণ নেই বলেও আদালত মন্তব্য করেন। পাকিস্তানের প্রায় ৮০ শতাংশ কৃষিজমি এই চুক্তির আওতাধীন পানির ওপর নির্ভরশীল।

গত বছর কাশ্মীরের একটি পর্যটনকেন্দ্রে হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর ভারত চুক্তিটি স্থগিত করে। নয়াদিল্লির দাবি, হামলায় জড়িত তিন হামলাকারীর দুজন পাকিস্তানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তবে ইসলামাবাদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে। এরপর কাশ্মীরে দুটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জলাধারের ধারণক্ষমতা বাড়ানোর কাজ শুরু করলে পাকিস্তান বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেয়।


বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় ১৯৬০ সালে স্বাক্ষরিত সিন্ধু পানি চুক্তির মাধ্যমে সিন্ধু অববাহিকার ছয়টি নদীর পানি দুই দেশের মধ্যে ভাগ করা হয়। পশ্চিমাঞ্চলের সিন্ধু, ঝিলম ও চেনাব নদীর পানি মূলত পাকিস্তানের জন্য এবং পূর্বাঞ্চলের রবি, বিয়াস ও শতদ্রু নদীর পানি ভারতের জন্য নির্ধারিত হয়। তবে পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলো থেকে ভারত সীমিতভাবে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। তবে ভারত এমনভাবে পানির প্রবাহ পরিবর্তন করতে পারে না, যাতে পাকিস্তানের পানির প্রাপ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আদালত জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাংক নিযুক্ত একজন নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ ২০২৭ সালের জুলাইয়ের মধ্যে কাশ্মীর অঞ্চলের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা নির্ধারণ করবেন। তত দিন রাটলে প্রকল্পের বাঁধের দেয়াল ও পানি প্রবেশ কাঠামো নির্দিষ্ট মাত্রার ওপরে নির্মাণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

বিএনপির ৪৮ বছরের অর্জন জনগণের অর্জন : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ভারতের সার্বভৌম সিদ্ধান্তের ওপর তথাকথিত এই সালিসি আদালতের কোনো এখতিয়ার নেই এবং এর কোনো সিদ্ধান্তই প্রকল্পগুলো নিয়ে ভারতের কর্মকাণ্ডে প্রভাব ফেলবে না।

অন্য দিকে পাকিস্তান আদালতের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ভারত সিন্ধু পানি চুক্তির অধীনে আবশ্যিকভাবে তার দায়িত্ব পালনে ‘বাধ্য’ এবং তা মেনে চলতে হবে।

ভোরের আকাশ/এনএস

শেয়ার করুন: