যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপে ইরানের না, মনোযোগ অভ্যন্তরীণ চুক্তিতে

আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপে বসার কোনো পরিকল্পনা নেই ইরানের। কারণ হিসেবে তেহরান জানিয়েছে, তারা এখন ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি বাস্তবায়ন এবং সেখানে উল্লিখিত নিজেদের প্রাপ্য সুবিধা ও অধিকার আদায়ে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়েই এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন। গত সোমবার রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা ইরনাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তির ১০ নম্বর ধারায় ইরানের তেলের ওপর থেকে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ১১ নম্বর ধারায় বিদেশে ফ্রিজড অবস্থায় থাকা ইরানি অর্থ অবমুক্ত করার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। আমরা বর্তমানে এই দুটি ধারার বাস্তবায়নের ওপরই গুরুত্ব দিচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, “এ ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই। কারণ চুক্তির ১৩ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, ১, ৪, ৫, ১০ এবং ১১ নম্বর ধারা সম্পূর্ণ বাস্তবায়নের পরেই স্থায়ী শান্তি আলোচনা শুরু হবে।”
এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বর্তমানে কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থান করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, প্রস্তাবিত শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতেই দুই দেশের প্রতিনিধিরা কাতারে গেছেন।
তবে ট্রাম্পের এই দাবি নাকচ করে ইসমাইল বাকায়েই ইরনাকে জানিয়েছেন, কাতারে শান্তি চুক্তির আলোচনা নয়; বরং সেখানে থাকা ইরানের ফ্রিজড অর্থ অবমুক্তির বিষয়েই আলোচনা চলছে।
অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, কাতারের ব্যাংকে ইরানের প্রায় ১,২০০ কোটি ডলার আটকা রয়েছে। এর মধ্যে ৬০০ কোটি ডলার অবমুক্ত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে সবুজ সংকেত দিয়েছে। সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি
ভোরের আকাশ/সু.পা