শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইউরোপীয় দেশগুলো সরকারবিরোধী বিক্ষোভ উসকিয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইউরোপীয় দেশগুলো সরকারবিরোধী বিক্ষোভ উসকিয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইউরোপীয় দেশগুলো সরকারবিরোধী বিক্ষোভ উসকিয়েছে

ইরানে সম্প্রতি সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপের অভিযোগ তুলেছেন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। শনিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও কিছু ইউরোপীয় দেশের কর্মকাণ্ডই উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে। ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এই খবর প্রকাশ করেছে।

ভাষণে পেজেশকিয়ান বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং ইউরোপীয় নেতারা ইরানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা কাজে লাগিয়ে বিভাজন সৃষ্টি করেছেন। এ কারণেই কিছু নিরীহ মানুষও এই আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েছে।”

পেজেশকিয়ান আরও বলেছেন, এটি কেবল একটি সামাজিক বিক্ষোভ ছিল না। ইরানের অর্থনৈতিক সংকটকে কাজে লাগিয়ে বিদেশি শক্তিগুলো দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে এবং দেশটিকে ‘ভাঙনের পথে’ ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রকাশ্যে বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যা অব্যাহত রাখে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প সামরিক বিকল্পগুলো পর্যালোচনা করছেন, যদিও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে শুরু হওয়া দুই সপ্তাহব্যাপী দেশজুড়ে বিক্ষোভের সূচনা হয় ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর দমন-পীড়নের পর বিক্ষোভ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে আসে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, এই দমন-পীড়নে অন্তত ৬ হাজার ৫৬৩ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৬ হাজার ১৭০ জন বিক্ষোভকারী এবং ২১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। যদিও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তুরস্কের একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার ১০০, যার মধ্যে ২ হাজার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।

 

ভোরের আকাশ/এনএস

ইউরোপইসরায়েলইরানবিক্ষোভযুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন: