শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ট্রাম্প কি পারবেন নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ জুন ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পাল্টাপাল্টি হামলা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ইরান ও ইসরায়েল।

সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে ইসরায়েল ইরানে হামলা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়ার পর তেহরানও একই ঘোষণা দেয়।

এমতাবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে- ট্রাম্প পারবেন কি নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে?

এ বিষয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ইসরায়েলের নেতানিয়াহু সরকারের ওপর কেবলমাত্র টেলিফোনে আলোচনা বা কূটনৈতিক কথাবার্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়- এমন মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক নীতিবিষয়ক বিশ্লেষকরা। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভবিষ্যতে ইসরায়েলের যুদ্ধনীতি নিয়ন্ত্রণে কতটা বাস্তবিক বা কার্যকর চাপ প্রয়োগ করবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

আন্তর্জাতিক সংকট বিশ্লেষণ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষক ডেভিড উডস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ইসরায়েলের ওপর প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা কেবল কূটনৈতিক বার্তা বা ফোনালাপের মধ্যেই সীমিত নয়। বরং এর পরিধি আরও অনেক বিস্তৃত ও কৌশলগত।

তার ভাষায়, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত প্রভাবের ক্ষেত্র হলো বাস্তবিক চাপ প্রয়োগের সক্ষমতা- যা শুধু অস্ত্র বিক্রি নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রয়োজন হলে গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি সীমিত করা অথবা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় অংশ না নেওয়ার মতো সিদ্ধান্তও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই ধরনের ‘বাস্তবিক লিভারেজ’ বা কার্যকর চাপ ইসরায়েলের নীতিনির্ধারকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল একটি বিষয়। কারণ সামরিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতার ওপর ইসরায়েলের নিরাপত্তা কাঠামো অনেকাংশে নির্ভরশীল।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই এমন কঠোর পদক্ষেপ নেয়, তাহলে তা ইসরায়েলের সামরিক ও কৌশলগত পরিকল্পনায় সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ধরনের কঠোর অবস্থানে যাবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই জটিল ও বহুমাত্রিক। বিশেষ করে সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমন্বয় এবং চাপ-প্রতিক্রিয়ার ভারসাম্য আরও স্পষ্টভাবে সামনে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত নীতি-প্রভাব কেবল বিবৃতিতে নয়, বরং সামরিক সহায়তা, গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের মতো বাস্তব উপাদানের ওপর নির্ভর করে। ফলে ভবিষ্যতে ওয়াশিংটন কতটা কঠোর অবস্থান নেয়, সেটিই ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন দিক নির্ধারণ করবে।

আরও পড়ুন

হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

তবে ইসরায়েল ও ইরানের সর্বশেষ সংযম কতক্ষণ টিকবে তা নিয়ে সংশয় রয়েই গেছে। কেননা, এর আগে রবিবারও ট্রাম্প বলেছিলেন- ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে এই মুহূর্তে হামলা পরিচালনা করবে না। তারপরও সোমবার ইরানে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

সূত্র: আল-জাজিরা

ভোরের আকাশ/এনএস

হামলা স্থগিতইরান-ইসরায়েল

শেয়ার করুন: