শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

গাজায় নিহতের সংখ্যা সাড়ে ৭২ হাজার ছাড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ২:৩৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়িয়েছে। এছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেক মানুষ আটকে থাকায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গাজার স্থানীয় চিকিৎসা সূত্রের বরাতে ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ৭২ হাজার ৫৫১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭২ হাজার ২৭৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। 

এর মধ্যে একজনের মরদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে ১১ অক্টোবর ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পর থেকে এখন পর্যন্ত ৭৭৫ জন নিহত এবং ২ হাজার ১৭১ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এছাড়া বিধ্বস্ত ভবনগুলো থেকে উদ্ধারকারী দল ৭৬১টি মরদেহ উদ্ধার করেছে।

ফিলিস্তিনি অধিকার সংগঠন জানিয়েছে, গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দখলকৃত পশ্চিম তীরে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে।

ফিলিস্তিন প্রিজনার্স ক্লাবের (পিপিসি) তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত পশ্চিম তীর ও দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমসহ মোট ২৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তারের সঙ্গে নির্যাতন ও সহিংসতার ঘটনাও বেড়েছে। আটক ব্যক্তিদের ওপর নির্যাতন, মারধর, তাদের ও পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বিশেষ করে জেনিন ও তুলকারেম শরণার্থী শিবিরে ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ধ্বংস করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

ভোরের আকাশ/নি

 

গাঁজা

শেয়ার করুন: