শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হরমুজে মাইন অপসারণ প্রস্তুতি

লোহিত সাগরে জার্মানির যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

লোহিত সাগরে নৌবাহিনীর দুটি জাহাজ মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে জার্মানি। হরমুজ প্রণালিতে সম্ভাব্য মাইন অপসারণ অভিযানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পূর্ব ভূমধ্যসাগর থেকে জাহাজ দুটি স্থানান্তর করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস এ তথ্য জানান।

জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে মাইন সুপার ‘ফুলদা’ এবং সরবরাহকারী জাহাজ ‘মোজেল’ সুয়েজ খাল অতিক্রম করে লোহিত সাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তিনি এই পদক্ষেপকে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক অভিযান শুরু হলে দ্রুততম সময়ে সাড়া দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, প্রয়োজন হলে এবং বাস্তবে অভিযান শুরু হলে জার্মানি দ্রুত পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে। লক্ষ্য হলো সম্ভাব্য পরিস্থিতিতে সর্বপ্রথম হরমুজ প্রণালিতে পৌঁছানো।

জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে জার্মানি সার্বিকভাবে প্রস্তুত। তবে যেকোনো সেনা বা জাহাজ মোতায়েনের জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং জার্মান পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তির বিস্তারিত বিষয়ে সমঝোতা জরুরি। এরপর জাতিসংঘ বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ম্যান্ডেট বা আইনি অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে জার্মান সরকার পার্লামেন্টে অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব দেবে।

এদিকে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকেই তা কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বেইনসে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন

জেনেভায় নির্ধারিত চুক্তি অনুষ্ঠান বাতিল, জানাল ইরান

চুক্তিটি মূলত একটি সমঝোতা স্মারক। এতে বলা হয়েছে, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং দেশটির পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল গঠন করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন এই চুক্তিকে ‘পারফরম্যান্স-ভিত্তিক’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। অর্থাৎ, ইরান প্রতিশ্রুতি পূরণ করলে চুক্তির সুবিধাগুলো পাবে। তবে চুক্তির বেশ কিছু বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি, যা ধাপে ধাপে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি 

ভোরের আকাশ/সু.পা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা

শেয়ার করুন: