শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

“গাজা পুনর্গঠনের ছলে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ চলমান”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

গাজা পুনর্গঠনের ছদ্মবেশে ইসরায়েল নতুন ধরনের ‘নীরব স্থানান্তর’ কৌশল প্রয়োগ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশ্লেষক ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন কার্যক্রমকে মানবিক সহায়তা হিসেবে দেখানো হলেও তা বাস্তবে রাজনৈতিক ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই বিষয়টি সম্প্রতি প্রকাশ করেছে।

গত মাসে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার নতুন করে গাজা পুনর্গঠনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। সেখানে আকাশচুম্বী ভবন ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার কথা বলা হলেও বাস্তবে গাজায় এখনো একটি ইটও বসেনি। বর্তমানে উপত্যকাটিতে জমে আছে প্রায় ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপ। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ইসরায়েলি অভিযানে গাজার ৯০ শতাংশের বেশি এলাকা ধ্বংস হয়েছে এবং পুনর্গঠনে লাগবে অন্তত ৭০ বিলিয়ন ডলার।

অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পর বিমান হামলা কিছুটা কমলেও সহিংসতা থামেনি। একই সঙ্গে সিমেন্ট ও স্টিলের মতো প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রী প্রবেশে ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। গবেষক ইহাব জাবারিনের মতে, পুনর্গঠন এখন যুদ্ধেরই আরেক রূপ, যেখানে গাজায় সিমেন্টের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে গাজার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পুনর্গঠনকে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক শর্তের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। এতে গাজায় কোন প্রশাসন কাজ করবে এবং কারা বৈধতা পাবে, সেটিও ইসরায়েল নির্ধারণ করতে চায়। সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার, বাসস্থানকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণের নামে সাধারণ মানুষের আওতাবহির্ভূত করা হচ্ছে।

জাতিসংঘ বলছে, শুধু ধ্বংসস্তূপ সরাতেই সাত বছর লাগতে পারে। এত দীর্ঘ অপেক্ষায় ক্লান্ত ফিলিস্তিনি গাজাবাসী গাজা ছেড়ে চলে যাবে, এটাই ইসরায়েলি কৌশল। বিশ্লেষকদের ভাষায়, সরাসরি হামলার বদলে সময় ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে অস্ত্র বানিয়েই এগোচ্ছে নীরব স্থানান্তর।

 

ভোরের আকাশ/এনএস

গাজা উপত্যকাইসরায়েল

শেয়ার করুন: