শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইন্দোনেশিয়ায় ফের শক্তিশালী ভূমিকম্প

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তেলুকনাগা এলাকার কাছে ৬ দশমিক ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫৮ দশমিক ৬ কিলোমিটার গভীরে। এর কেন্দ্র ছিল তেলুকনাগা এলাকার প্রায় ১১৫ কিলোমিটার উত্তর-উত্তরপূর্বে। ইউএসজিএসের পেজার সতর্কতা ছিল সবুজ, যা বড় ধরনের প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকার ইঙ্গিত দেয়।

ভূমিকম্পটির সর্বোচ্চ কম্পনমাত্রা ছিল হালকা পর্যায়ের। তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন

ইরাক-ইরান সীমান্ত বন্ধ করলো বাগদাদ

এদিকে একই দিনে ইন্দোনেশিয়ার মালুকু দ্বীপের কাছে বান্দা সাগরে ৬ দশমিক ২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। দেশটির ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থার (বিএমকেজি) বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ওই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৪৩ কিলোমিটার গভীরে। এতে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি।

প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ বা অগ্নিবলয়ের ওপর অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। একাধিক ভূ-তাত্ত্বিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে দেশটিতে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বেশি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, আনাদোলু এজেন্সি

ভোরের আকাশ/ইউএম

ভূমিকম্পইন্দোনেশিয়া

শেয়ার করুন: