শিরোনাম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

১৯৮ কোটি ডলারের অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি নিচ্ছে কুয়েত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৬ জুন ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কুয়েত মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিলের কাছ থেকে ইরানের সম্ভাব্য ড্রোন হুমকি মোকাবিলায় ১৯৮ কোটি ডলার মূল্যের একটি অত্যাধুনিক ‘অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম’ কিনতে যাচ্ছে । এ চুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে অনুমোদন দিয়েছে বলে জানা গেছে।

গতকাল শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “প্রস্তাবিত এ বিক্রয় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তানীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং সহায়ক। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক উন্নতি এবং আমাদের ন্যাটো জোটের বাইরে আমাদের একজন বৃহৎ মিত্রের নিরাপত্তার স্বার্থে এই বিক্রয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশ কুয়েতে ছোটো-বড় মিলিয়ে মোট ৮টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি বিমান বাহিনীর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২টি প্রধান বিমান ঘাঁটি এবং বাকিগুলো যৌথ সামরিক ও লজিস্টিক ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে মতবিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং টানা ৪০ দিন ধরে সংঘাতের পর ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করার পর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ শুরু করে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্যের যে কয়েকটি দেশে সবচেয়ে বেশি হামলা চালিয়েছে ইরান, সেসবের মধ্যে সবার ওপরে আছে কুয়েত। যুদ্ধবিরতির আগ পর্যন্ত ইরানি ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কুয়েতের সেনাবাহিনীর ২ জন সদস্যসহ মোট ৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া দেশটির অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে কয়েক কোটি ডলারের।

আরও পড়ুন

৬৫ শতাংশ গ্রাহক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বাইরে থাকছেন : তথ্যমন্ত্রী

গত বুধবার কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল ইরান। সেই ড্রোনের আঘাতে দেশটিতে নিহত হয়েছেন একজন এবং আহত হয়েছেন আরও ৬৩ জন।

সর্বশেষ আজ ভোরেও কুয়েতকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে আইআরজিসি। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টকোম সেই ক্ষেপণাস্ত্র আটকে দিয়ে ধ্বংস করেছে।

ভোরের আকাশ/জেআ

ইরানের ড্রোন হামলাইরানকুয়েতযুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন: