শিরোনাম
নেপালে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ভারতীয় নাগরিক নিহতশপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদের দুই নবনির্বাচিত সদস্যরাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গার্মেন্টস খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে আইনি ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীনিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীঘন কুয়াশার কারণে রেড অ্যালার্ট জারি করল আমিরাতমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ পালটাপালটি ধাওয়া, মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধরাজধানীতে ডিএমপির নিয়মিত অভিযানে আটক ৫৪৯ইউক্রেনের ত্রাণ কেন্দ্রে রুশ হামলায় ২৬ জন নিহতনেপালে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ভারতীয় নাগরিক নিহতশপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদের দুই নবনির্বাচিত সদস্যরাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গার্মেন্টস খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে আইনি ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীনিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীঘন কুয়াশার কারণে রেড অ্যালার্ট জারি করল আমিরাতমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ পালটাপালটি ধাওয়া, মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধরাজধানীতে ডিএমপির নিয়মিত অভিযানে আটক ৫৪৯ইউক্রেনের ত্রাণ কেন্দ্রে রুশ হামলায় ২৬ জন নিহত

আজ জেলহত্যা দিবস

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ নভেম্বর ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চার সংগঠক সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে। ইতিহাসের এই কলঙ্কজনক অধ্যায় স্মরণে আজ পালিত হচ্ছে জেলহত্যা দিবস। জাতীয় চার নেতার অবদান রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তভাবে মূল্যায়ন এবং তাঁদের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির তাগিদ দিয়েছেন বিশ্লেষকেরা।

বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ এবং মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ ২ সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারকে হত্যার কয়েকদিন পর এই ৪ নেতাকে বন্দি করে পাঠানো হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে। ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে কারাগারের ভেতরে ৪ জনকেই হত্যা করে একদল সেনাসদস্য।

জাতীয় রাজনীতিতে ৪ নেতার গুরুত্ব উল্লেখ কোরে, কোনো দলের স্বার্থে তাদের ব্যবহার না করার পরামর্শ এই বিশ্লেষকের।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন এবং মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে জাতীয় চার নেতার যে অবদান, এই জায়গাতে মূল্যায়ন করতে হবে। এইটা শুধু আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে পালন করবে কিংবা আওয়ামী লীগ সরকার থাকলে পালন করবে, নট নেসেসারি। সরকারে যেই থাকুক যার যে অবদান আছে সেটা পালন করতে হবে, সেটা ভাষানি থেকে শুরু হোক, জিয়াউর রহমান, বঙ্গবন্ধু হোক কিংবা চার নেতা হোক, সবারটাই করতে হবে।’

তাঁর মতে, নির্মোহ দৃষ্টিতে জাতীয় নেতাদের অবদান তুলে ধরা উচিত। যেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ইতিহাসের মূলপাঠ পালটে না যায়।

আরও পড়ুন

ডিএসসিসিতে ই-রিকশার নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু

মুহাম্মদ মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘নতুন প্রজন্মকে তাদের অবদান সম্পর্কে জানতে হলে, আমাদের নিজেদের যেমন ভূমিকা রাখতে হবে, তেমনি সরকারের যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিশেষ করে পাঠ্যবই যেগুলো আছে, বিশেষ করে স্কুলগুলোতে সেখানে নির্মোহভাবে, নির্লিপ্তভাবে কোনো রকমের সমালোচনা, বিতর্ক বাদ দিয়ে সেগুলো করতে হবে।’

জেলা হত্যার ২৮ বছর ১১ মাস পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর এই মামলার রায় দেয় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। এতে ২০ আসামির মধ্যে ৩ সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড ও ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং বাকি ৫ জনকে খালাস দেওয়া হয়।

ভোরের আকাশ/জেআ

শেয়ার করুন: