নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনের প্রতি কূটনীতিকদের আস্থা শতভাগ: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানার পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কমিশনের প্রতি বিদেশি কূটনীতিকরা তাদের সর্বোচ্চ আস্থা প্রকাশ করেছেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর সোয়া ১২টায় রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত দ্যা ওয়েস্টিনে বাংলাদেশে অবস্থিত দূতাবাস ও মিশনে কর্মরত সকল বিদেশী কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
সিইসি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য আমরা কি কি প্রস্তুতি নিয়েছি তার সকল প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাদেরকে আজ আমরা জানিয়েছি। তারা আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ এবং আমাদের সকল কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেছেন।
তিনি বলেন, আমাদের সকল কর্মকাণ্ড আমরা তাদের সামনে তুলে ধরেছি। আমরা জানিয়েছি যে এখানে কোন লোকচুরির ব্যাপার নেই। আমরা গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে পারব, এ বিষয়ে তারা আশাবাদী।
আমাদের প্রস্তুতির পাশাপাশি নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোতায়েন বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা কি তা তারা জানতে চেয়েছেন। আমরা জানিয়েছি, নির্বাচন উপলক্ষে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও আনসারও মোতায়েন থাকবে।
তিনি আরও বলেন, তারা আমাদের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে খুব ভালোভাবে বুঝেছেন। আমাদের যে উদ্দেশ্যটা একেবারেই স্বচ্ছ এবং ফোকাসটা একটা সুন্দর নির্বাচন আয়োজন - এ ব্যাপারে তারা বুঝতে পেরেছেন এবং খুবই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আপনারা নিশ্চিত থাকেন, আমাদের তরফ থেকে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সুন্দর একটা নির্বাচন আয়োজনে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাবো।
এর আগে, আজ সকাল দশটা থেকে দ্যা ওয়েস্টিনের বলরুমে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট, ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশে অবস্থিত দূতাবাস ও মিশনে কর্মরত সকল বিদেশী কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন। এ বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার - আব্দুর রহমান মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত), ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদসহ নির্বাচন কমিশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা এতে অংশগ্রহণ করেন।
ভোরের আকাশ/এসএইচ