শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৫৩ দিনে নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা ২৭৪টি: প্রেস উইং

ভোরের আকাশ প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

সারা দেশে গত ৫৩ দিনে নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতার ঘটনা ২৭৪টি হয়েছে। এই তথ্য জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর। একই প্রতিবেদনে পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সম্পর্কে তথ্যও প্রকাশ করা হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি সহিংসতা সংঘটিত হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের কারণে, যার সংখ্যা ৮৯টি।

প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১২ ডিসেম্বর থেকে ১ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ১৬টি ভীতি প্রদর্শন বা আক্রমণাত্মক আচরণের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া প্রার্থীর ওপর সরাসরি হামলার ঘটনা ১৫টি, হত্যাকাণ্ড পাঁচটি এবং অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা তিনটি ধরা পড়েছে।

‘এসময়ে নির্বাচনি প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ২৯টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অফিস বা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে ২০টি। অবরোধ ও বিক্ষোভের ঘটনা ছিল ১৭টি। এছাড়া হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ৯টি, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের ঘটনা একটি এবং অন্যান্য ক্যাটাগরিতে সহিংসতার ঘটনা ৭০টি।’

প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর আগের তিন নির্বাচনের সময়কার সহিংসতার তুলনা করে বলেছে, সবশেষ তিনটি সংসদ নির্বাচনের সহিংসতার চিত্রেও বড় ধরনের ওঠানামা দেখা যায়। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহিংসতার মোট ঘটনা ছিল ৫৩০টি, একাদশ নির্বাচনে ৪১৪টি এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৩৪টিতে।

দশম সংসদ নির্বাচনের সময়ে আহত হন ৩১৫ জন, একাদশ নির্বাচনে আহতের সংখ্যা ছিল ৭৮০ জন এবং দ্বাদশ নির্বাচনে আহত হন ৪৬০ জন। নিহতের সংখ্যা যথাক্রমে ১১৫, ২২ ও ৬ জন।

যানবাহন ও স্থাপনায় ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ক্ষেত্রেও ওই নির্বাচনের সময়গুলোতে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়। তবে দশম সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছু ঘটনায় সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি বলে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের পাঠানো তথ্যে বলা হয়।

প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর বলছে, ককটেল ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ এবং গুলি নিক্ষেপের ঘটনাও বিভিন্ন নির্বাচনি সময়ে নথিভুক্ত হয়েছে।

 

ভোরের আকাশ/এনএস

প্রধান উপদেষ্টাহত্যাকাণ্ডসহিংসতাসংঘর্ষনির্বাচন

শেয়ার করুন: