শিরোনাম
জাপান সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানঅনলাইন সহিংসতার শিকার ৪৫.৫ শতাংশ নারী, পুলিশের সহায়তা নেন ৪.৬ শতাংশমহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎরূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদনচিকিৎসায় খরচ করে দারিদ্র্যসীমার নিচে ১ কোটি ৮ লাখ মানুষ: গবেষণাআমরা অবশ্যই এই ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট: ইসি সচিবসরকারি চুক্তিভিত্তিক চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্তচার বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকারজাপান সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানঅনলাইন সহিংসতার শিকার ৪৫.৫ শতাংশ নারী, পুলিশের সহায়তা নেন ৪.৬ শতাংশমহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎরূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদনচিকিৎসায় খরচ করে দারিদ্র্যসীমার নিচে ১ কোটি ৮ লাখ মানুষ: গবেষণাআমরা অবশ্যই এই ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট: ইসি সচিবসরকারি চুক্তিভিত্তিক চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্তচার বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার

অনলাইন সহিংসতার শিকার ৪৫.৫ শতাংশ নারী, পুলিশের সহায়তা নেন ৪.৬ শতাংশ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দেশে নারীদের ৪৫ দশমিক ৫ শতাংশ অনলাইন সহিংসতার শিকার হয়েছেন, সক্রিয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে এ হার ৬৩ দশমিক ৭ শতাংশ। তবে ভুক্তভোগীদের মাত্র ৪ দশমিক ৬ শতাংশ পুলিশের সহায়তা নিয়েছেন। পুলিশের কাছে যাওয়া নারীদের ৮১ দশমিক ৮ শতাংশ জানিয়েছেন, তাদের মামলায় সামান্য অগ্রগতি হয়েছে অথবা কোনো অগ্রগতিই হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও ডিজিটাল রাইটসের যৌথ গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। ‘বাংলাদেশে প্রযুক্তি-সহায়ক লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা বোঝা ও মোকাবিলা’ শীর্ষক গবেষণার তথ্য রাজধানীর মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থাপন করা হয়।

গবেষণায় বলা হয়, ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণী ও শিক্ষার্থীরা অনলাইন সহিংসতার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ঝুঁকিতে রয়েছেন। হয়রানি, অর্থনৈতিক প্রতারণা, ছবি ও যৌন নির্যাতন, ভুয়া পরিচয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা, সাইবার অনুসরণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ভুয়া ভিডিও এ সহিংসতার উল্লেখযোগ্য ধরন। ফেসবুক ও মেসেঞ্জার এ ধরনের সহিংসতার প্রধান মাধ্যম।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, প্ল্যাটফর্মে অভিযোগ জানানোর পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ৫৬ শতাংশ ভুক্তভোগী। এ ছাড়া ৭১ দশমিক ৬ শতাংশ নারী মনে করেন, অনলাইন সহিংসতার ঘটনায় সমাজে ভুক্তভোগীদেরই দোষারোপ করা হয়। ৬৭ শতাংশ নারী কখনো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অনলাইন নিরাপত্তাবিষয়ক প্রশিক্ষণ পাননি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। তিনি বলেন, গবেষণাটির লক্ষ্য সহিংসতার কাঠামোগত দুর্বলতা ও সংকট চিহ্নিত করা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের করণীয় তুলে ধরা। গবেষণার সুপারিশ বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রযুক্তির অপব্যবহারজনিত সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান গবেষক সায়েমা চৌধুরী বলেন, ডিজিটাল সচেতনতার অভাব ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে না জানার কারণে নারীরা অর্থনৈতিক শোষণ ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

আরও পড়ুন

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন

উপপুলিশ কমিশনার লিজা বেগম বলেন, ভুয়া পরিচয়ে অপরাধীদের শনাক্ত করা, ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণ ও দ্রুত তদন্তে পুলিশকে নানান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। এসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও ডিজিটাল রাইটসের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন নারী অধিকার, মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ভোরের আকাশ/এনএস

শেয়ার করুন: