শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বরিশালের সাতলা গ্রাম: ফুটে থাকা শাপলার রঙিন সমারোহ

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১ অক্টোবর ২০২৫, ১:২৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বরিশালের সাতলা গ্রাম: ফুটে থাকা শাপলার রঙিন সমারোহ
বরিশালের সাতলা গ্রাম: ফুটে থাকা শাপলার রঙিন সমারোহ

বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা গ্রাম এখন দেশের মানুষের কাছে ‘শাপলার গ্রাম’ হিসেবে পরিচিত। গ্রামের বিস্তীর্ণ জলাভূমি, স্থানীয়রা যাকে শাপলার বিল নামে ডাকে, পুরো মৌসুমে লাল, সাদা ও বেগুনি শাপলার ফুলে ছেয়ে থাকে। প্রায় ১০ হাজার একরের এই বিল ভোরের প্রথম আলোয় যেন লাল কার্পেটের মতো ছড়িয়ে যায়, যা দেখতে প্রতিটি দর্শক মুগ্ধ হয়।

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, শাপলা দেখতে সবচেয়ে ভালো সময় আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত। ভোরবেলা ফুলগুলো পুরোপুরি ফুটে থাকে, কিন্তু দিনের বেলায় ধীরে ধীরে ফুলগুলো বুজে যায় বা স্থানীয়রা বাজারের জন্য তুলতে শুরু করে। তাই শাপলার সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভোরে বিলে পৌঁছানোই উত্তম।

পর্যটকরা সাধারণত রাতে গ্রামে এসে ভোরে বিল দেখতে যান। ঢাকা থেকে সাতলা যেতে হলে বরিশাল পর্যন্ত বাস বা লঞ্চে পৌঁছাতে হয়। ঢাকা থেকে বরিশালের বাস যাত্রীদের জন্য শাকুরা, হানিফ ও ঈগল পরিবহন রয়েছে। এছাড়া সদরঘাট থেকে বরিশালগামী লঞ্চে ভ্রমণ করা যায়, যেগুলো পরদিন ভোরে বরিশালে পৌঁছে। বরিশাল শহর থেকে সাতলা পৌঁছাতে হলে শিকারপুর বা নুতনহাট পর্যন্ত বাসে যেতে হয়, এরপর অটো বা মহেন্দ্র গাড়িতে গ্রামে প্রবেশ করা যায়।

সাতলায় বড় কোনো হোটেল না থাকলেও স্থানীয় বাড়ি বা স্কুলে থাকার ব্যবস্থা করা যায়। বরিশাল শহরে থাকলে গ্র্যান্ড পার্ক, হোটেল এথেনাসহ অন্যান্য মানসম্মত হোটেল পাওয়া সম্ভব।

স্থানীয়রা অতিথিপরায়ণ। শাপলার মৌসুমে এখানে দেশি-বিদেশি পর্যটকের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। কেউ শুধু ফুল দেখার জন্য, কেউ ছবি তোলার জন্য বিলে আসে। এছাড়া এই গ্রামের শাপলা ফুল দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হয়।

প্রকৃতি প্রেমী ও ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আগ্রহীদের জন্য সাতলা গ্রাম হতে পারে এক অনন্য গন্তব্য।

সূত্র: কুহুডাক

ভোরের আকাশ // হ.র

শাপলাবরিশাল

শেয়ার করুন: