শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শাসনের নামে অতিরিক্ত কঠোরতা কতটা ক্ষতিকর?

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ জুন ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রত্যেক বাবা-মা চান তাদের সন্তান সুশৃঙ্খল ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক। তবে এই ‘আদর্শ’ গড়ে তোলার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় শাসনের মাত্রা অতিক্রম করে যায়। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, অতিরিক্ত শাসন বা ‘হেলিকপ্টার প্যারেন্টিং’ শিশুর স্বাভাবিক বিকাশে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। শৃঙ্খলার নামে অতিরিক্ত কঠোরতা শিশুর আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি তাকে বিদ্রোহী বা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে।

শাসনের আড়ালে হারানো আত্মবিশ্বাস

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু সার্বক্ষণিক কড়া শাসনের মধ্যে বড় হয়, তাদের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা লোপ পায়। সারাক্ষণ ‘এটা করো না’, ‘ওটা করা যাবে না’—এমন নিষেধাজ্ঞার ফলে শিশু নিজের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে। বড় হয়ে তারা অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে এবং সামাজিক যোগাযোগে জড়তা অনুভব করে।

অতিরিক্ত শাসনের ভয়াবহ ৩টি প্রভাব

১. মিথ্যা বলার প্রবণতা বৃদ্ধি: অতিরিক্ত শাস্তির ভয়ে শিশুরা সত্য গোপন করতে শেখে। শাসনের হাত থেকে বাঁচতে তারা নিয়মিত মিথ্যা বলার আশ্রয় নেয়, যা পরবর্তীতে তাদের চরিত্রে স্থায়ী রূপ নিতে পারে।

২. আক্রমণাত্মক আচরণ বা চরম অন্তর্মুখিতা: কঠোর শাসন অনেক সময় শিশুকে জেদি ও বিদ্রোহী করে তোলে। তারা ছোটখাটো বিষয়েও বড়দের মতো আক্রমণাত্মক আচরণ শুরু করে। আবার অনেক শিশু চরমভাবে গুটিয়ে যায়, যা থেকে দীর্ঘমেয়াদী বিষণ্নতা (Depression) বা সামাজিক ভীতি (Social Anxiety) তৈরি হতে পারে।

৩. সৃজনশীলতা বাধাগ্রস্ত হওয়া: ভুল করার ভয়ে শিশু নতুন কিছু করার সাহস পায় না। ফলে তাদের সৃজনশীলতা এবং কৌতূহল অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভুল থেকে শেখার সুযোগ না দিলে শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ থমকে যায়।

বিশেষজ্ঞের অভিমত: শাসন নয়, হোক বন্ধুত্ব

আরও পড়ুন

ওটিটি দুনিয়ায় মিমের নতুন যাত্রা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের এক অধ্যাপক জানান, “শাসন মানেই কঠোরতা নয়। শিশুকে শৃঙ্খলায় আনতে হলে আগে তার মনের কথা শুনতে হবে। ভয়ের বদলে সম্মানের সম্পর্ক তৈরি করা জরুরি। অতিরিক্ত শাসন আসলে শাসনের উদ্দেশ্যকেই ব্যর্থ করে দেয়।”

বাবা-মায়ের জন্য করণীয়

  • সহমর্মিতা: শিশুর ভুল ধরিয়ে দেওয়ার আগে তার প্রেক্ষাপট বোঝার চেষ্টা করুন।
  • প্রশংসা: ছোটখাটো ভালো কাজের জন্য শিশুর প্রশংসা করুন। এটি তার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।
  • সীমানা নির্ধারণ: নিয়ম থাকবে, তবে তার যৌক্তিক কারণ শিশুকে বুঝিয়ে বলুন।
  • কোয়ালিটি টাইম: দিনের কিছুটা সময় ডিজিটাল ডিভাইস দূরে রেখে সন্তানের সাথে গল্প করুন বা খেলুন।

ভোরের আকাশ/জেআ

বাবা-মামনোবিজ্ঞানশিশুর স্বাধীনতাশিশুর বিকাশ

শেয়ার করুন: