শিরোনাম
ইউপি ভোট: প্রথম ধাপের তফসিল ১০ ডিসেম্বরডিসেম্বরকে সামনে রেখে অস্থিতিশীলতা তৈরির পাঁয়তারা চলছে: শ্রমমন্ত্রী১৩ সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু সোমবারগার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন, গেজেট প্রকাশসাজেকে দুই পক্ষে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি, অবরোধে বন্ধ বড় যান চলাচলঅক্টোবরে রেমিট্যান্স এলো ৩৫ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক৩ নভেম্বর সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীইউপি ভোট: প্রথম ধাপের তফসিল ১০ ডিসেম্বরডিসেম্বরকে সামনে রেখে অস্থিতিশীলতা তৈরির পাঁয়তারা চলছে: শ্রমমন্ত্রী১৩ সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু সোমবারগার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন, গেজেট প্রকাশসাজেকে দুই পক্ষে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি, অবরোধে বন্ধ বড় যান চলাচলঅক্টোবরে রেমিট্যান্স এলো ৩৫ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক৩ নভেম্বর সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

৯ মাসে ইসলামী ব্যাংকের লোকসান ৩২৮৫ কোটি টাকা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
৯ মাসে ইসলামী ব্যাংকের লোকসান ৩২৮৫ কোটি টাকা
৯ মাসে ইসলামী ব্যাংকের লোকসান ৩২৮৫ কোটি টাকা

চলতি ২০২৬ সালের প্রথম ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এককভাবে ৩,২৮৬ কোটি টাকা এবং সমন্বিত হিসাবে ৩,৩০৩ কোটি টাকা নিট লোকসান করেছে।

ব্যাংকটির ৪১৪তম পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই অনিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুমোদন করা হয়। আগের বছরের একই সময়ে ব্যাংকটি যেখানে প্রায় ৭৯ কোটি টাকা মুনাফা করেছিল, সেখানে এবার বিপুল অঙ্কের এই লোকসান দেশের ব্যাংকিং খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জকে ফুটিয়ে তুলেছে।

এতে দেখা যায়, এসময়ের অনিরীক্ষিত হিসাবে কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে শেয়ার প্রতি (ইপিএস) ২০ টাকা ৪১ পয়সা। ২০২৫ সালের এ সময়ে নিট মুনাফা হয়েছিল শেয়ার প্রতি ৬২ পয়সা; যার পরিমাণ ছিল ৯৯ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংকের মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬০ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ৬৬৮টি। ইপিএসের হিসাবে গত ৯ মাসে ইসলামী ব্যাংক লোকসান দেয় ৩ হাজার ২৮৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

অপরদিকে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে জানুয়ারি-মার্চ সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয় ১ টাকা ৭৯ পয়সা, দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয় ৬ টাকা ৩৯ পয়সা এবং সবশেষ সেপ্টেম্বর-অক্টোবর প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয় ১২ টাকা ২৪ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি নিট মুনাফা হয় ২০ পয়সা। এ প্রান্তিকে মোট লোকসান হয়েছে ১ হাজার ৯৭০ কোটি ৬২ লাখ টাকা।

লোকসানের কারণে সম্পদ মূল্যও অর্থেক কমেছে ব্যাংকটির। গত সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) হয় ২৩ টাকা ৬৪ পয়সা। নয় মাস আগে গত ডিসেম্বরে এনএভি হয় ৪৪ টাকা ৫২ পয়সা।

একইসঙ্গে কমেছে শেয়ারপ্রতি নিট নগদ প্রবাহ হয় ঋণাত্মক ৩৬ টাকা ১২ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১২ টাকা ৪৪ পয়সা।

ব্যাংকের লোকসানের পাল্লা ভারি হওয়ার ব্যাখ্যায় ব্যাংকটি বলেছে, বিনিয়োগ আয় থেকে মুনাফা না আসায় বড় ধরনের ধাক্কায় লোকসান বেড়েছে। খেলাপি ঋণের উচ্চ হার, ব্যাংক সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মাধ্যমে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ও সবশেষ প্রান্তিকে আমানত প্রবাহ অস্বাভাবিকভাবে কমে গিয়েছে।

আরও পড়ুন

পুলিশের ৩৫৭ কর্মকর্তার মামলার তথ্য চেয়েছে সদরদপ্তর

একই সঙ্গে আমানতের বিপরীতে মুনাফা খরচ বেড়ে যাওয়ায় লোকসান বাড়ার সঙ্গে নগদ অর্থের প্রবাহ ঋণাত্বক হওয়ার তথ্য দিয়েছে ব্যাংকটি।

ভোরের আকাশ/আ.র

 

শেয়ার করুন: