শিরোনাম
ইউপি ভোট: প্রথম ধাপের তফসিল ১০ ডিসেম্বরডিসেম্বরকে সামনে রেখে অস্থিতিশীলতা তৈরির পাঁয়তারা চলছে: শ্রমমন্ত্রী১৩ সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু সোমবারগার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন, গেজেট প্রকাশসাজেকে দুই পক্ষে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি, অবরোধে বন্ধ বড় যান চলাচলঅক্টোবরে রেমিট্যান্স এলো ৩৫ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক৩ নভেম্বর সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীইউপি ভোট: প্রথম ধাপের তফসিল ১০ ডিসেম্বরডিসেম্বরকে সামনে রেখে অস্থিতিশীলতা তৈরির পাঁয়তারা চলছে: শ্রমমন্ত্রী১৩ সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু সোমবারগার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন, গেজেট প্রকাশসাজেকে দুই পক্ষে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি, অবরোধে বন্ধ বড় যান চলাচলঅক্টোবরে রেমিট্যান্স এলো ৩৫ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক৩ নভেম্বর সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

অক্টোবরে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৪.৩৯ শতাংশ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
অক্টোবরে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৪.৩৯ শতাংশ
অক্টোবরে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৪.৩৯ শতাংশ

অক্টোবর মাসে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪.৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭.০৪ বিলিয়ন (১,৭০৪ কোটি) মার্কিন ডলারে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৬.০৮ বিলিয়ন ডলার।

রোববার (১ নভেম্বর) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ রপ্তানি আয়ের পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চার মাসে দেশের মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭০৮ কোটি ৫৯ লাখ মার্কিন ডলার। আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৬১৩ কোটি ৭০ লাখ ৩০ হাজার ডলার। সে হিসাবে চার মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

পোশাক খাতে ৫.৮২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক খাতেও প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৩৭৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ১ হাজার ২৯৯ কোটি ৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার। অর্থাৎ এ সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ।

শুধু অক্টোবর মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় বেড়েছে ৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। গত বছরের অক্টোবরে এ খাতে রপ্তানি আয় ছিল ৩০১ কোটি ৯৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা চলতি বছরের অক্টোবরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১৬ কোটি ৭৭ লাখ ৯০ হাজার ডলারে।

তৈরি পোশাকের দুই প্রধান উপখাত নিটওয়্যার ও ওভেন—উভয় ক্ষেত্রেই প্রবৃদ্ধি হয়েছে। জুলাই-অক্টোবর সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি আয় ৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেড়ে ৭৭২ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ডলারে পৌঁছেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৭২৩ কোটি ৭৮ লাখ ডলার।

অন্যদিকে, ওভেন পোশাক রপ্তানি আয় ৪ দশমিক ৬০ শতাংশ বেড়ে ৬০১ কোটি ৭৩ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে এ খাতে আয় ছিল ৫৭৫ কোটি ২৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

অক্টোবর মাসের হিসাবেও নিটওয়্যার রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

রপ্তানির শীর্ষ বাজার যুক্তরাষ্ট্র

দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়ের তালিকায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একক বাজার হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৩৪ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৩০০ কোটি ২৭ লাখ ৩০ হাজার ডলার। সে হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি বেড়েছে ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজার যুক্তরাজ্য। চার মাসে দেশটিতে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৭৪ কোটি ১৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার। তৃতীয় অবস্থানে থাকা জার্মানিতে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৫৬ কোটি ৬৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

অন্যদিকে, ১৫১ কোটি ৫৪ লাখ ৭০ হাজার ডলারের রপ্তানি আয় নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে স্পেন। দেশটিতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

উদীয়মান বাজারে বাড়ছে রপ্তানি

প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি উদীয়মান বাজারগুলোতেও বাংলাদেশের রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। প্রধান রপ্তানি গন্তব্যগুলোর মধ্যে তুরস্কে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৮২ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়ে ১৫ কোটি ৯৯ লাখ ২০ হাজার ডলার থেকে ২৯ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার ডলারে উন্নীত হয়েছে।

এ ছাড়া ভারতের বাজারেও বাংলাদেশের রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। রপ্তানি গন্তব্যের তালিকায় দেশটির অবস্থান সপ্তম। অন্যদিকে, জাপান রয়েছে নবম অবস্থানে। এ দুটি বাজারেই রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

আরও পড়ুন

নতুন বেতন পেতে শুরু করেছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

ইপিবির প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান দেশের রপ্তানি খাতের সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা এবং রপ্তানিকারক, শ্রমিক, উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রতিফলন বলে মনে করছে সংস্থাটি।

রপ্তানি প্রবৃদ্ধির এ ধারা ধরে রাখতে পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণ, নতুন বাজার সম্প্রসারণ, পণ্যের মানোন্নয়ন এবং বাণিজ্য সহজীকরণে সহায়তা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো। দীর্ঘমেয়াদে দেশের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/আ.র

শেয়ার করুন: