শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

রাতের খাবারের পর হাঁটার ছয়টি বড় উপকারিতা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৫, ১:৪২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাতের খাবারের পর হাঁটার ছয়টি বড় উপকারিতা
রাতের খাবারের পর হাঁটার ছয়টি বড় উপকারিতা

হাঁটা এমন একটি সহজ অভ্যাস, যা একবার জীবনযাত্রায় যুক্ত হলে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য দু’দিকেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে রাতের খাবারের পর সামান্য হাঁটাহাঁটি শরীরকে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ রাখার পাশাপাশি হজমশক্তি বাড়ায়, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, ওজন কমাতে সহায়ক হয় এবং ঘুমের মান উন্নত করে।

১. হজমশক্তি বৃদ্ধি করে

খাওয়ার পর হাঁটাহাঁটি হজমতন্ত্রে রক্তপ্রবাহ বাড়ায় ও খাবারের গতিশীলতা সহজ করে। এর ফলে বুকজ্বালা, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা কিংবা আইবিএস-এর মতো সমস্যার ঝুঁকি কমে। গবেষণায়ও দেখা গেছে, খাওয়ার পর হাঁটলে পাকস্থলীর খাবার দ্রুত অন্ত্রে পৌঁছায়, যা হজম প্রক্রিয়াকে সহজতর করে।

২. ক্যালোরি খরচ বাড়ায়

রাতের খাবারের পর সামান্য হাঁটা শরীরের বিপাকক্রিয়া সক্রিয় করে অতিরিক্ত ক্যালোরি পোড়ায়। প্রতিদিন এই ক্ষুদ্র ক্যালোরি খরচ জমে ওজন কমানো বা নিয়ন্ত্রণে রাখায় কার্যকর ভূমিকা রাখে। নিয়মিত হাঁটা কঠোর ব্যায়াম ছাড়াই ফিট থাকার সহজ উপায়।

৩. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে

খাবারের পর স্বাভাবিকভাবেই রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। এসময় হাঁটা পেশিকে সক্রিয় করে, ফলে গ্লুকোজ রক্ত থেকে দ্রুত শোষিত হয়। এতে হঠাৎ শর্করা বৃদ্ধির ঝুঁকি কমে এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন প্রতিরোধে ভোগা ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ উপকারী হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, খাওয়ার পর মাত্র ১০-১৫ মিনিট হাঁটলেই সারাদিনের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ ভালো থাকে।

৪. রক্তসঞ্চালন উন্নত করে

হাঁটা শরীরের রক্তপ্রবাহ সক্রিয় করে, যা টিস্যু ও অঙ্গে অক্সিজেন এবং পুষ্টি পৌঁছে দেয়। এর ফলে খাবারের হজম সহজ হয়, পুষ্টি শোষণ বাড়ে এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি কমে। দীর্ঘমেয়াদে ভালো রক্তসঞ্চালন হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং শরীরকে চাঙা রাখে।

৫. মানসিক চাপ কমায়

হাঁটা শুধু শরীর নয়, মনকেও সতেজ করে। খাবারের পর হাঁটাহাঁটি এন্ডোরফিন ও সেরোটোনিনের মতো ‘ফিল-গুড’ রাসায়নিক নিঃসরণ ঘটায়, যা উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। হালকা বিষণ্ণতা কাটাতেও এ অভ্যাস কার্যকর ভূমিকা রাখে।

৬. ঘুমের মান বাড়ায়

রাতের খাবারের পর সংক্ষিপ্ত হাঁটা শরীরকে ধীরে ধীরে রিল্যাক্স করে এবং ঘুমের মান উন্নত করে। হাঁটার ফলে কর্টিসল নামক চাপ-হরমোন কমে যায়, আর মেলাটোনিন উৎপাদন বাড়ে—যা দ্রুত ও গভীর ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয়।

ভোরের আকাশ/হ.র

শেয়ার করুন: