শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

কোন বয়সে কতটুকু হাঁটলেই মিলবে সুস্থতা? জানুন বিশেষজ্ঞদের মতামত

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৫, ৪:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
কোন বয়সে কতটুকু হাঁটলেই মিলবে সুস্থতা? জানুন বিশেষজ্ঞদের মতামত
কোন বয়সে কতটুকু হাঁটলেই মিলবে সুস্থতা? জানুন বিশেষজ্ঞদের মতামত

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিন হাঁটার বিকল্প নেই—এ কথা সবাই জানি। কিন্তু বয়সভেদে হাঁটার পরিমাণ কত হওয়া উচিত, সে সম্পর্কে অনেকেরই পরিষ্কার ধারণা নেই। চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ধরে হাঁটলেই শরীর ও মন ভালো থাকবে। দেখে নিন, কোন বয়সে কতটা হাঁটলেই মিলবে উপকার—

শিশু (৫-১৭ বছর)
এই বয়সের শিশুদের দিনে অন্তত ৬০ মিনিট হাঁটা বা শারীরিক কার্যকলাপে অংশ নেওয়া উচিত। এতে হাড় ও পেশি মজবুত হয় এবং মানসিক বিকাশে সহায়তা করে। শুধু হাঁটা নয়, খেলাধুলা এবং নাচ-গানসহ সক্রিয় জীবনধারা জরুরি।

তরুণ ও প্রাপ্তবয়স্ক (১৮-৬৪ বছর)
প্রতিদিন ৩০ থেকে ৬০ মিনিট হাঁটা এই বয়সীদের জন্য আদর্শ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন মাঝারি তীব্রতায় হাঁটলে হৃদ্যন্ত্র সুস্থ থাকে, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং মানসিক চাপ কমে।

বয়স্ক নাগরিক (৬৫ বছর বা তার বেশি)
বয়স বাড়লেও হাঁটা বন্ধ করা যাবে না। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট মাঝারি গতিতে হাঁটলেই শরীর সচল থাকে। এটি পেশির শক্তি ধরে রাখে, ভারসাম্য রক্ষা করে এবং হৃদ্যন্ত্র ও ফুসফুসকে সচল রাখে। ধীরে হাঁটলেও নিয়মিত হাঁটতে হবে।

বাড়তি কিছু বিষয়ভিত্তিক পরামর্শ:
ওজন কমাতে চান? প্রতিদিন ১০,০০০ পা হাঁটার চেষ্টা করুন—যা প্রায় ৭-৮ কিলোমিটার।
স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে: চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হাঁটার রুটিন ঠিক করুন।
তীব্রতা বাড়াতে চান? ধীরে ধীরে হাঁটার গতি বাড়ান বা হালকা দৌড় (জগিং) শুরু করুন।

হাঁটার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস:
আরামদায়ক জুতা ব্যবহার করুন।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন, বিশেষ করে গরমের দিনে।
হাঁটার সেরা সময় সকাল বা বিকেল—তাপমাত্রা তখন অনেকটাই সহনীয়।

স্বাস্থ্যই সব সুখের মূল। তাই প্রতিদিনের জীবনে হাঁটাকে অভ্যাসে পরিণত করুন। তবে আপনার বয়স, শারীরিক অবস্থা বা কোনো রোগ থাকলে ব্যক্তিগত পরামর্শ নিতে ভুলবেন না—বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নিন।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: