শিরোনাম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

ঘণ্টার পর ঘণ্টা রিলস দেখছেন? যেসব ভয়ংকর ক্ষতি করছেন নিজেরই

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ১:৩৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

একটু অবসর পেলেই হাতে মোবাইল, তারপর একের পর এক রিলস স্ক্রল। এটাই এখন অনেকের দৈনন্দিন অভ্যাস। শুধু তরুণরাই নন, প্রবীণদের মধ্যেও এই প্রবণতা বাড়ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত সময় রিলস দেখার অভ্যাস শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মার্টফোনের ইতিবাচক ব্যবহার যেমন যোগাযোগ, ভিডিও কল বা অনলাইন কার্যক্রমে সহায়ক, তেমনি নিয়ন্ত্রণহীন রিলস দেখার অভ্যাস ধীরে ধীরে আসক্তিতে পরিণত হতে পারে।

অতিরিক্ত রিলস দেখলে হতে পারে যেসব ক্ষতি 

শারীরিক চলাফেরা কমে যায়
দীর্ঘ সময় এক জায়গায় বসে মোবাইল ব্যবহারের কারণে শরীরচর্চা কমে যায়। এতে ওজন বৃদ্ধি, জয়েন্টের ব্যথাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে।

ঘুমের সমস্যা তৈরি হয়
মোবাইলের পর্দা থেকে নির্গত নীল আলো (Blue Light) স্বাভাবিক ঘুমের চক্রে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে অনিদ্রা বা দেরিতে ঘুমানোর সমস্যা দেখা দিতে পারে।

মনোযোগ কমে যায়
ছোট ছোট ভিডিও বারবার দেখার অভ্যাস দীর্ঘ সময় মনোযোগ ধরে রেখে পড়াশোনা বা কাজ করার সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে
অতিরিক্ত রিলস দেখার ফলে একসময় একাকীত্ব, মানসিক ক্লান্তি, খিটখিটে মেজাজ এবং উদ্বেগের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

কী করবেন?

বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় মোবাইল ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি বই পড়া, হাঁটাহাঁটি, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং অন্যান্য সৃজনশীল কাজে সময় দিলে শরীর ও মন—দুটোই ভালো থাকবে।

প্রযুক্তি আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও, সেটি যেন আসক্তিতে পরিণত না হয়—সেদিকে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভোরের আকাশ/এনএ

 

রিলসক্ষতি

শেয়ার করুন: