শিরোনাম
আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, অভিযুক্ত ড্যাব নেতার পদ স্থগিতভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে ইসিস্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৩৯গুলিস্তানে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, ফের দখল করলে গ্রেপ্তারদেশে ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮২ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে, উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেইচালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানআইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, অভিযুক্ত ড্যাব নেতার পদ স্থগিতভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে ইসিস্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৩৯গুলিস্তানে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, ফের দখল করলে গ্রেপ্তারদেশে ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮২ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে, উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেইচালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খান

সিগারেট নাকি জর্দা: কোনটি বেশি ক্ষতিকর?

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৫, ১:০৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সিগারেট নাকি জর্দা: কোনটি বেশি ক্ষতিকর?
সিগারেট নাকি জর্দা: কোনটি বেশি ক্ষতিকর?

বাংলাদেশে চায়ের দোকান বা আড্ডায় দেখা যায়—কেউ সিগারেট ধরছেন, কেউ গালে জর্দা রাখছেন। অনেকের ধারণা ধোঁয়া টানা সিগারেটই বেশি ক্ষতিকর, জর্দা তেমন ক্ষতি করে না। কিন্তু চিকিৎসক ও গবেষণার তথ্য বলছে—এটি বিপজ্জনক ভুল ধারণা।

ধূমপান করলে শরীরে প্রায় ৭,০০০ রাসায়নিক পদার্থ প্রবেশ করে, যার মধ্যে ৬৯ ধরনের ক্যান্সারজনক পদার্থ আছে।
শুধু ফুসফুস নয়, স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্তচাপ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি) হতে পারে।
WHO অনুযায়ী, প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ মারা যায় ধূমপানের কারণে; বাংলাদেশে বছরে ১ লাখ ৬১ হাজার।

মুখগহ্বর ও গলার ক্যান্সার, দাঁতের ক্ষয়, মাড়ির রোগ, হৃদরোগ, স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল জানিয়েছে, দেশে মুখগহ্বরের ক্যান্সারের প্রধান কারণ হলো জর্দা ও সাদাপাতা তামাক।
অনেক সময়, জর্দা ব্যবহারকারীর রক্তে নিকোটিনের মাত্রা ধূমপায়ীর চেয়ে বেশি, ফলে আসক্তি ও ক্ষতি গভীর হয়।

কোনটি বেশি ক্ষতিকর?
তুলনা করা কঠিন। সিগারেট দ্রুত ফুসফুস নষ্ট করে, জর্দা চুপিসারে মুখ, দাঁত, মাড়ি ও রক্তনালী।
শেষ পর্যন্ত দুটোই মৃত্যুঝুঁকি বাড়ায়।

নিরাপদ বিকল্প নেই।
একমাত্র সমাধান: সিগারেট, বিড়ি, জর্দা—সবকিছু পুরোপুরি বাদ দেওয়া।
প্রাথমিকভাবে নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি, কাউন্সেলিং বা চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ ব্যবহার করে ধীরে ধীরে ত্যাগ সম্ভব।

সিগারেট ও জর্দা দুটোই সমান ক্ষতিকর। জর্দার ক্ষতি অনেক সময় টের পাওয়া যায় না, তাই সচেতন থাকা জরুরি।


ভোরের আকাশ/হ.র

শেয়ার করুন: