শিরোনাম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

শিশুর রাগ সামলানোর ৫টি কার্যকর উপায়

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ আগস্ট ২০২৫, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
শিশুর রাগ সামলানোর ৫টি কার্যকর উপায়
শিশুর রাগ সামলানোর ৫টি কার্যকর উপায়

শিশুর রাগ কোনো অস্বাভাবিক আচরণ নয়— বরং এটি বেড়ে ওঠার একটি স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ অনুভূতির অংশ। তবে অনেক সময় এই রাগ প্রকাশের ধরন মা-বাবার জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নিচে এমন ৫টি কৌশল দেওয়া হলো, যা শিশুর রাগ বুঝতে ও তা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।

১. অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া নয়, পর্যবেক্ষণ করুন
আপনার সন্তান যদি হঠাৎ রেগে গিয়ে চিৎকার করে বা কান্নাকাটি শুরু করে, প্রথমেই বুঝে নিন— এটি বাস্তব অনুভূতির প্রকাশ, না কি ইচ্ছাকৃত মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা। যদি দেখে মনে হয় সে জেনে-শুনে এমন করছে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে কিছুটা উপেক্ষা করুন। অনেক সময় নিজে থেকেই সে শান্ত হয়ে যায়।

২. অপ্রয়োজনীয় প্রলোভনের ঝুঁকি এড়ান
চকোলেট, খেলনা কিংবা পার্কে যাওয়ার মতো নানা বিষয়ে শিশুর আবদার থাকে। তবে তার অভ্যাস ও প্রতিক্রিয়া আপনি সবচেয়ে ভালো বোঝেন। তাই এমন জায়গায় তাকে নিয়ে যাবেন না, যেখানে গিয়ে সে জেদ করে বসবে। আগে থেকেই ঝুঁকি চিনে পরিকল্পনা করুন।

৩. কান্না থামানোর জন্য জোর না করা
আপনার সন্তান যদি কোনো কারণে জেদ করে কান্না শুরু করে, তখন তাকে বারবার চুপ করানোর চেষ্টা না করাই ভালো। এতে করে সে আরও বেশি অস্থির হয়ে উঠতে পারে। বরং তাকে একটু সময় দিন, একা থাকতে দিন। বেশিরভাগ সময়ই শিশুরা কিছুক্ষণ পর নিজে থেকে শান্ত হয়ে যায়।

৪. পুরস্কারের শর্ত তৈরি করুন
প্রতিটি চাওয়া পূরণ করলে শিশুর মধ্যে অধৈর্য ও জেদ বাড়ে। বরং তাকে শেখান— কিছু পেতে হলে কিছু অর্জন করতে হয়। যেমন, আগে পড়া শেষ করতে হবে, ঘর গোছাতে হবে কিংবা অন্যদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে— এই ধরনের শর্ত দিন। এতে সে ধৈর্য ও শৃঙ্খলা শেখে।

৫. খেলাধুলা ও মেলামেশার সুযোগ দিন
বয়সভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ শিশুর মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ। অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা, আঁকাআঁকি, গল্প বলা ইত্যাদির মাধ্যমে শিশুর আবেগ নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা বাড়ে। সময় পেলেই তাকে বাড়ির বাইরে বা পার্কে নিয়ে যান, নতুন বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিন।
 

ভোরের আকাশ/হ.র

শেয়ার করুন: