শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সব সময় ক্লান্ত থাকার ৫টি প্রধান কারণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১:১০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সব সময় ক্লান্ত থাকার ৫টি প্রধান কারণ
সব সময় ক্লান্ত থাকার ৫টি প্রধান কারণ

বর্তমান জীবনের ব্যস্ততায় অনেকেই প্রায়শই ক্লান্ত অনুভব করেন। দীর্ঘ সময় শক্তি খরচ হওয়া এবং বিশ্রামের অভাব আমাদের শরীর ও মনকে প্রভাবিত করে। তবে সব সময় ক্লান্ত থাকা স্বাভাবিক নয়—এটি কিছু নির্দিষ্ট কারণের সঙ্গে যুক্ত।

১. জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস
পর্যাপ্ত শারীরিক কার্যক্রম এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ ভালো ঘুমের জন্য অপরিহার্য। অনেক সময় আমরা দীর্ঘ সময় বসে থাকি, যা শক্তি কমাতে সহায়ক নয়। প্রতিদিন রাতের খাবারের পর ১০–১৫ মিনিট হাঁটা, দুপুরে বেশি সবজি খাওয়া এবং নিয়মিত ৮ ঘণ্টার ঘুম নিশ্চিত করা ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে।

২. স্ক্রিনের সামনে অতিরিক্ত সময়
মোবাইল, ল্যাপটপ বা ট্যাবের নীল আলো ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ঘুমের আগে অন্তত এক ঘণ্টা স্ক্রিন থেকে বিরতি নিলে সকালে আরও সতেজ অনুভূতি পাওয়া সম্ভব।

৩. থাইরয়েড সমস্যা
হরমোনের ভারসাম্য শক্তি ও ক্লান্তির ওপর প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডিজমে (থাইরয়েড কম কাজ করা) দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। এটি সহজেই নির্ণয়যোগ্য এবং চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

৪. মেনোপজ ও হরমোন পরিবর্তন (মহিলাদের ক্ষেত্রে)
মেনোপজ বা ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার সময় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে ঘুমের সমস্যা ও ক্লান্তি দেখা দেয়। চিকিৎসকের পরামর্শে হরমোন থেরাপি বা অন্যান্য পদ্ধতি এই সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

৫. মানসিক চাপ (স্ট্রেস)
দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ শরীর ও মনকে দুর্বল করে। অতিরিক্ত কর্টিসল হরমোনের কারণে ক্লান্তি বেড়ে যায়। স্ট্রেস কমাতে মেডিটেশন, যোগব্যায়াম বা গভীর শ্বাস নেওয়ার ব্যায়াম সহায়ক।

সতর্কবার্তা:
সব সময় ক্লান্ত থাকা স্বাভাবিক নয়। শরীর ও মনকে পর্যাপ্ত যত্ন দিলে ক্লান্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: হেল্থ শটস

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: