শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রোটিনের চাহিদা পূরণে দুধ ও ডিমের ভূমিকা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ জুন ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দুধ এবং ডিম—দুটোই আমাদের প্রাত্যহিক ডায়েটের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং উচ্চমানের প্রোটিনের  চমৎকার উৎস। তবে যদি সরাসরি তুলনা করা হয় যে কোনটিতে বেশি প্রোটিন থাকে, তবে উত্তরটি নির্ভর করছে আপনি কোন হিসেবে পরিমাপ করছেন তার ওপর।

সহজ ভাষায় বুঝতে নিচে তুলনাটি দেওয়া হলো:

প্রতি পিস বা গ্লাসের হিসেবে

আপনি যদি একটি সাধারণ আকারের ডিমের সাথে এক গ্লাস (২৫০ মিলি) দুধের তুলনা করেন:

  • ১টি বড় ডিম (সিদ্ধ): প্রোটিন থাকে প্রায় ৬ থেকে ৬.৫ গ্রাম।
  • ১ গ্লাস গরুর দুধ (২৫০ মিলি): প্রোটিন থাকে প্রায় ৮ গ্রাম।

সিদ্ধান্ত: আপনি যদি একবারে একটি ডিম খাওয়ার চেয়ে এক গ্লাস দুধ পান করেন, তবে দুধ থেকে বেশি প্রোটিন পাবেন।

সমপরিমাণ ওজনের হিসেবে

পুষ্টিবিজ্ঞানের নিয়মে যদি দুটিরই সমান ওজন (১০০ গ্রাম) ধরে তুলনা করা হয়:

  • ১০০ গ্রাম ডিম: প্রোটিন থাকে প্রায় ১২.৬ গ্রাম।
  • ১০০ গ্রাম গরুর দুধ: প্রোটিন থাকে প্রায় ৩.৪ গ্রাম।

সিদ্ধান্ত: ওজনের দিক থেকে ডিমে দুধের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি প্রোটিন থাকে। কারণ দুধে পানির পরিমাণ  অনেক বেশি থাকে।

প্রোটিনের গুণগত মান ও শোষণ ক্ষমতা

শুধু প্রোটিনের পরিমাণই শেষ কথা নয়, আমাদের শরীর সেই প্রোটিন কতটা গ্রহণ করতে পারছে তাও গুরুত্বপূর্ণ। একে বলা হয় 'বায়োলজিক্যাল ভ্যালু' ।

আরও পড়ুন

এআই প্রযুক্তিতে নতুন যুগের সূচনা করছে অ্যাপল

ডিমকে বলা হয় 'হোল প্রোটিন': ডিমের প্রোটিনের বায়োলজিক্যাল ভ্যালু ১০০ (সর্বোচ্চ)। এর মানে হলো ডিমের প্রোটিনে সব ধরনের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড একদম সঠিক অনুপাতে থাকে এবং আমাদের শরীর এটি সবচেয়ে সহজে ও সম্পূর্ণভাবে শোষণ করতে পারে।

দুধের প্রোটিন (ক্যাসিন ও হুই): দুধের প্রোটিনের বায়োলজিক্যাল ভ্যালু প্রায় ৯১। এটিও অত্যন্ত উন্নত মানের, তবে ডিমের চেয়ে সামান্য কম।

ভোরের আকাশ/জেআ

পুষ্টিস্বাস্থ্য টিপসপ্রোটিনপুষ্টিগুণডিমদুধ

শেয়ার করুন: