ধর্মীয় পরিচয় নয়, সম্প্রীতি ও সহাবস্থানই হোক বন্ধনের ভিত্তি: কাজী রফিকুল ইসলাম

ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের ভিত্তিতে সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ গড়ে তুলতে চান। সম্প্রীতি নষ্টের কোনো ষড়যন্ত্র হলে তা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করারও আহ্বান জানান তিনি।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ২৮টি মন্দিরে অনুদান ও নারীদের মধ্যে শাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সংসদ সদস্য।
কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, “সম্প্রীতির বন্ধন আরও গভীর করতে চাই। সবার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব। সুন্দর ও সুশৃঙ্খল মন্দির তৈরি হবে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলে সকলের পাশে থাকব। আপনারা আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ।”
তিনি আরও বলেন, এ দেশে ধর্মীয় অধিকার ও মর্যাদার ক্ষেত্রে কোনো কমতি-বাড়তি নেই। একই সঙ্গে সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সারিয়াকান্দি উপজেলার ২৮টি মন্দিরে প্রতিটিতে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়। এ ছাড়া ১০০ জন নারীর হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সহায়তার অংশ হিসেবে সম্প্রতি ভেলাবাড়ি ও কাজলা ইউনিয়নের ১০টি পরিবারের মধ্যে চেক ও ঢেউটিন বিতরণ করেন সংসদ সদস্য। প্রতিটি পরিবারকে ৬ হাজার টাকার চেক ও দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানগুলোতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম, সারিয়াকান্দি থানার উপপরিদর্শক মিনার আলীসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সনি, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী এরফানুর রহমান রেন্টু, সাধারণ সম্পাদক সাহাজাত হোসেন পল্টন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মহিদুল ইসলাম মুন্সি, যুগ্ম আহ্বায়ক তারাজুল ইসলাম ফনি ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম নিশানসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা।
ভোরের আকাশ/জেআ