শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পিরোজপুরে মাদক ব্যবসা, চুরি ও ছিনতাই থেকে মুক্তি পেতে স্মারকলিপি

পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

পিরোজপুর সদর উপজেলা কলাখালী ইউনিয়নে মাদক ব্যবসা, চুরি, ছিনতাই ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী গ্রেফতারের জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ইউনিয়নের এলাকাবাসী। 

মঙ্গলবার পিরোজপুর পুলিশ সুপার বরাবর কলাখালী ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ স্বাক্ষরিত একটি স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। 

স্মারকলিপিতে, পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নের আলী হোসেন ও তার ছেলেদের বিরুদ্ধে চুরি, মাদক কারবার, ছিনতাই এর একাধিক অভিযোগ করা হয়েছে। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আলী হোসেন ও তার ছেলেদের মাদক ব্যবসা চুরি ছিনতাই এর উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকাবাসী কয়েকবার মানববন্ধন করেছে। 

তারা আলী হোসেন ও তার ছেলেদের চুরির অপরাধে একাধিক বার হাতেনাতে ধরে স্থানীয় শালীর ব্যবস্থাও করেছেন। কিন্তু কোন সালিশ ব্যবস্থায়ী এই পরিবার না মেনে তারা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। 

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, আমরা কলাখালী ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ডের শান্তি কামিনী ও স্থায়ী বাসিন্দা। গত কিছুদিন ধরে এলাকার চিহ্নিত চোর এবং মাদক ব্যবসায়ী আলী হোসেন ফকির, তার ছেলে ও তার সহযোগীদের সহযোগিতায় একাধিক চুরির ঘটনা ঘটে। 

চুরির ঘটনাগুলোর সাথে আলী হোসেন ও তার ছেলেদের হাতেনাতে ধরে এলাকাবাসী। এলাকার বর্তমান মেম্বার গ্রাম্য পুলিশ একটি সালিশির মাধ্যমে সমাধান করেন। কিন্তু আলী হোসেন ফকির ও তার ছেলে তাদের সহযোগীরা পরবর্তীতে থানায় মিথ্যা অভিযোগ এনে জিডি করে। এরপরেই পুনরায় তারা দেশীয় অস্ত্র দা কুড়াল নিয়ে এলাকায় ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে মহড়া দেয়। 

এরই প্রতিকার হিসাবে এলাকাবাসী একটি স্বাক্ষর আবেদন ২১ জুন তারিখে পুলিশ সুপারের কাছে জমা দেয় এবং ২২ জুলাই শহরে একটি মানববন্ধন করে। কিন্তু এরপরেও এদেরকে কোনভাবে থামানো যাচ্ছে না। 

তারা আরো অভিযোগ করেন বিকাশ ব্যবসায়ী আখতারুজ্জামান শেখ দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাওয়ার সময় আলী হোসেন এর পুত্র সজল ফকির ও রিপন মোল্লা এক লক্ষ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায় সেই মামলায় সজল ফকির ওয়ারেন্ট থাকা সত্ত্বেও তাকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। 

মো: নাজিম উদ্দিন বলেন, এলাকায় মাদক ব্যবসা চুরি ছিনতাই সবকিছুইতে এই একটি পরিবারের লোকজন জড়িত। আলী হোসেন আওয়ামীলীগের সময় কৃষক লীগ এর নাম ভাঙ্গিয়ে এলাকায় এসব চালিয়েছেন একই ধারাবাহিকতায় বর্তমানেও চালাচ্ছেন। তিনি কৃষকলীগের সভাপতি ছিলেন তার ছেলেরা এখনো প্রভাবেই এলাকায় যা ইচ্ছে তাই করে বেড়াচ্ছে। 

মো: আবু তালেব বলেন, একাধিকবার গরু চুরি করতে গিয়ে আলী হোসেন ও তার ছেলেরা হাতেনাতে ধরা পড়েছে। এলাকায় সালিশ হয়েছে কিন্তু তাদের চুরি ও মাদকের প্রবল থেকে এলাকাবাসীর মুক্তি পাচ্ছে না। আমরা ডিসিএসপির কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি এর সুষ্ঠু প্রতিকার চাই। 

রাজমিস্ত্রি হায়দার ফকির জানান, এলাকার শান্তি নষ্ট হচ্ছে এই পরিবারের লোকজনের কারণে। কোন মানুষই শান্তিতেও নিরাপদে থাকতে পারছে না। চোরের বিচার চাই সুষ্ঠু প্রতিকার চাই আমরা।

গৃহবধূ আফরোজা জানান, আমাদের এলাকার শান্তি রক্ষার্থে প্রশাসনের আইনগত ব্যবস্থা নেয়া দরকার। 

অভিযুক্ত আলী হোসেন বলেন আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্যি নয়। আমি এই অভিযোগের বিরোধিতা করছি। এ বিষয়ে আমি থানায় ভিডি করেছি। আমার নামে মিথ্যা ভুয়া অপবাদ দেয়া হচ্ছে।   

আরও পড়ুন

ক্ষুধার্ত কালিগঙ্গা নদী জামিলা'র শেষসম্বল টুকু কেড়ে নিল

কলাখালী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সেলিম শেখ বলেন, চুরির ঘটনা নিয়ে আমরা একাধিকবার সালিশ করেছি মীমাংসা ও করে দেয়া হয়েছে। এরপরেও ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। 

এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে অভিযোগের ভিত্তিতে আইগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন আসামি ওয়ারেনভুক্ত হলে ওয়ারেন্ট এর কাগজ থানায় আসলে অবশ্যই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। 

ভোরের আকাশ/রই

সেলিম শেখ

শেয়ার করুন: