শিরোনাম
নয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণসড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতরা পাবেন ১-৫ লাখ টাকা, আবেদন যেভাবেসৌদিতে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭ বাংলাদেশিডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৫মার্কিন ভিসা নিয়ে সতর্ক করলো দূতাবাসসিপাহি-জনতার বিপ্লবে অপশক্তি পরাভূত হয়েছিল : প্রধানমন্ত্রীবিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দামজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীনয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণসড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতরা পাবেন ১-৫ লাখ টাকা, আবেদন যেভাবেসৌদিতে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭ বাংলাদেশিডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৫মার্কিন ভিসা নিয়ে সতর্ক করলো দূতাবাসসিপাহি-জনতার বিপ্লবে অপশক্তি পরাভূত হয়েছিল : প্রধানমন্ত্রীবিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দামজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় স্বার্থকে ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে : এস. এম. নছরুল কদির

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
জাতীয় স্বার্থকে ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে : এস. এম. নছরুল কদির
জাতীয় স্বার্থকে ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে : এস. এম. নছরুল কদির

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে চট্টগ্রামের প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর ) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। 

পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার, রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইফতেখার মনির এবং প্রক্টর মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী।

পরবর্তী সময়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান বক্তব্য দেন উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির। বক্তব্যে তিনি নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন সময়ে মানুষের কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতা, ভালোবাসা ও আন্তরিকতার স্মৃতিচারণ করেন। 

তিনি উল্লেখ করেন, মানুষের কাছ থেকে পাওয়া ইতিবাচক পরামর্শ ও সহমর্মিতা তাঁর চিন্তাভাবনা, জ্ঞান ও ব্যক্তিত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। দেশ ও সমাজের অগ্রগতিতে প্রত্যেককে মানবিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা ও দেশপ্রেমের চর্চা করার আহ্বান জানান তিনি।

উপাচার্য বলেন, একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও ঐক্য বজায় রাখা জরুরি। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার মানসিকতা থাকতে হবে। একই সঙ্গে ব্যক্তি কিংবা রাজনৈতিক দলের স্বার্থের চেয়ে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

আলোচনা সভায় বিশেষ বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার, রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইফতেখার মনির, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহীত উল আলম, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সহযোগী ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ মঈনুল হক, প্রকৌশল অনুষদের সহযোগী ডিন অধ্যাপক ড. সাহীদ মো. আসিফ ইকবাল, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সহকারী ডিন ফারজানা ইয়াসমিন চৌধুরী ও আসিফ ইকবাল এবং প্রক্টর মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন মুন্না।

দিবসটি উদযাপনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় নিজেদের মেধা ও সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রেখে বিজয়ী হন পাঁচ শিক্ষার্থী। 

তাঁদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেন সমাজবিজ্ঞান ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের টিনা মারমা। দ্বিতীয় হন আইন বিভাগের নুসরাত জাহান এবং তৃতীয় স্থান লাভ করেন অর্থনীতি বিভাগের ইবতিসাম আজম তাসকিন।

এ ছাড়া চতুর্থ স্থান অর্জন করেন অর্থনীতি বিভাগের হিজবুল্লাহ মাহমুদ রিজভী এবং পঞ্চম স্থান অধিকার করেন একই বিভাগের শরিফা তাসফিয়া মিল্লাত। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব আলোচনায় উঠে আসে। 

পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম, জাতীয় চেতনা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গঠনের মানসিকতা বিকাশে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।

ভোরের আকাশ/রই

শেয়ার করুন: