শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দাগনভূঞা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

ফেনীর দাগনভূঞা বাজারের চৌমুহনী রোডের কামারের গলি এলাকায় শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৭টায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

আগুনের লেলিহান শিখায় মুহূর্তের মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বাজারের ৬টি দোকান ও ২টি গোডাউন। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এ ঘটনায় ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি টাকা বা তার বেশি হতে পারে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফেনী ও নোয়াখালী থেকে ফায়ার সার্ভিসের মোট ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ দেড় ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

​ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকালে আগুনের সূত্রপাত হওয়ার পরপরই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়ভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হলেও আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় তা সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে ফেনী সদর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট এবং নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থেকে আরও ২টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। যৌথভাবে ৫টি ইউনিটের কর্মীরা প্রায় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট বিরামহীন কাজ করে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ও ভিড় সামলাতে দাগনভূঞা ক্যাম্পের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং দাগনভূঞা থানার পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। সৌভাগ্যবশত, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

​অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ শোনামাত্রই দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক, স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। এদিকে, দাগনভূঞা উপজেলায় নিজস্ব ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় আগুন নেভাতে পার্শ্ববর্তী জেলা ও উপজেলা থেকে দমকল বাহিনী আনতে হয়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিনের আক্ষেপের বিষয়।

এ প্রসঙ্গে জানা যায়, দাগনভূঞাতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের জন্য প্রশাসন ইতিমধ্যে ৩৩ শতক জমি অধিগ্রহণ করেছে। অবশিষ্ট ৬৭ শতক জায়গা অধিগ্রহণের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে এবং তা দ্রুততম সময়ে শেষ করতে প্রশাসন তৎপর রয়েছে। এছাড়া, অধিগ্রহণকৃত ৩৩ শতক জমিতেই স্টেশনের কাজ শুরু করা সম্ভব কি না, সে বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

ফেনীঅগ্নিকাণ্ড

শেয়ার করুন: