শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

কুড়িগ্রামে পাউবোর জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

সারা দেশে নদ-নদী ও সরকারি জমি থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে অভিযান চালাচ্ছে সরকার, সেখানে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জমি দখল করে আধা পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। 

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে স্থানীয়রা কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের কালিরহাট বাজার সংলগ্ন দুধকুমার নদীর তীরে নদীভাঙন রোধে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে, কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত দুধকুমার নদী ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন” প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করে কুড়িগ্রাম পাউবো। 

অভিযোগ রয়েছে, সেই বাঁধের ওপর প্রায় ২ শতাংশ জায়গা দখল করে আধা পাকা ঘর নির্মাণ করছেন বেলদহ গ্রামের মৃত জশমত আলীর ছেলে খলিলুর রহমান।

স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম, মিনহাজ উদ্দিন, আমিনুল প্রামানিক, নজরুল ইসলাম ও রাজু অভিযোগ করে বলেন, কালিরহাট বাজার, ফসলি জমি ও আশপাশের বসতভিটা রক্ষায় সরকার এই বাঁধ নির্মাণ করেছে। কিন্তু বাঁধের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করায় আগামী বর্ষায় বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বাজার ও আশপাশের এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

অভিযুক্ত খলিলুর রহমান বলেন, জায়গাটি আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি ছিল। আগে আমার ছোট ভাই সাত্তার আলীর একটি ঘর সেখানে ছিল। পরে বাঁধ নির্মাণের সময় জমি অধিগ্রহণ করা হয়। জায়গাটি ফাঁকা থাকায় আমি ঘর তুলছি। সরকার সরাতে বললে ঘর সরিয়ে ফেলবো।

আরও পড়ুন

রামিসা হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম বাবু বলেন, জায়গাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের। সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল হোক, সেটা আমরা চাই না। প্রয়োজনে নিয়ম মেনে অনুমতি বা ইজারা নিয়ে স্থাপনা নির্মাণ করা যেতে পারে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মুন্না হক জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সরকারি জায়গায় ঘর নির্মাণ না করতে বলা হয়েছে। বিষয়টি ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে জানানো হয়েছে। এরপরও স্থাপনা সরানো না হলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোরের আকাশ/ র.ই

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)আমিনুল প্রামানিক

শেয়ার করুন: