শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

খুলনায় সেতু নির্মাণ কাজে ধীরগতি, ঠিকাদাররের চুক্তি বাতিল

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণকাজে দীর্ঘসূত্রতা ও চরম ধীরগতির অভিযোগে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে চুক্তি বাতিলের চূড়ান্ত নোটিশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), খুলনা। নির্ধারিত সময়ের দেড় বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও মাত্র ৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, বটিয়াঘাটা উপজেলার খরাবাদ-কড়িয়াভিটা সড়কে ২৪ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার ব্রিজ পুনর্নির্মাণ প্রকল্পটি “ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী সড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন (CAFDRIDP)” প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কাজটির ই-টেন্ডার আইডি ৯৭৬৪১৩ এবং প্যাকেজ নম্বর CAFORIRP/Khulna/VR/Brdg/ER/W-02/2023-24।

২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর মেসার্স কায়েদ বিল্ডার্সের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করে এলজিইডি। চুক্তি অনুযায়ী ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কাজ শুরু করে ২০২৫ সালের ১০ মে’র মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় অতিক্রমের পরও কাজের অগ্রগতি মাত্র ৫ শতাংশ হওয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামরুল ইসলাম সরদার স্বাক্ষরিত এক পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর ও নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত তাগিদ দেওয়ার পরও ঠিকাদার কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এমনকি মেয়াদোত্তীর্ণ নিরাপত্তা আমানত নবায়ন ও বর্ধিত সময়ের আবেদনও করা হয়নি।

পত্রে আরও বলা হয়, প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘ বিলম্বের কারণে স্থানীয় জনগণের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে এবং এলজিইডির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন হওয়া “সম্পূর্ণ অনিশ্চিত” বলে মন্তব্য করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খুলনা জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামরুল ইসলাম সরদার বলেন, “আমি বর্তমানে সাইড ভিজিটে বাইরে আছি। বিষয়টি স্পেসিফিকভাবে বলতে গেলে আমাকে নথিপত্র দেখে বলতে হবে। পরবর্তী কার্যদিবসে বিস্তারিত জানাতে পারবো।”

আরও পড়ুন

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য এবিএম শহিদুল ইসলাম

অন্যদিকে, এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কায়েদ বিল্ডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. এহসাম হাওলাদারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

এ অবস্থায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কেন চুক্তি বাতিল করা হবে না— সে বিষয়ে ১৪ মে ২০২৬ সালের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় চুক্তির সাধারণ শর্তের (GCC Clause 90.1) আওতায় চুক্তি বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে এলজিইডি।

ভোরের আকাশ/নি

খুলনা

শেয়ার করুন: