চরমোনাই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যানকে দল থেকে বহিষ্কারের ইঙ্গিত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) শৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো আপস করে না। অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালাম রাড়ি দীর্ঘদিন ধরে দলীয় নীতি ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন।চরমোনাই ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি পদে থেকেও বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি ধানের শীষের আদর্শ বিসর্জন দিয়ে আওয়ামী প্রার্থীকে সমর্থন করেন। জনসভায় "সালাম রাড়ি সালাম নিন, নৌকা মার্কায় ভোট দিন" স্লোগান দিয়ে তিনি প্রকাশ্যে জাতীয়তাবাদী দলের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন।
কেন্দ্রীয় কমিটির বিরুদ্ধে অবস্থান:গত ১২ জুলাই বিএনপির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বরিশাল সদর উপজেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেন। কিন্তু নিজ ছেলেকে কমিটিতে না রাখায় আব্দুস সালাম রাড়ি কেন্দ্র অনুমোদিত এই কমিটির বিরুদ্ধে বিষোদগার শুরু করেন।
দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও বিশৃঙ্খলা:তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করছেন যে এই কমিটিতে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের লোক রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, স্থানীয়দের প্রলোভন দেখিয়ে নগরীর টাউন হলে দলের আহ্বায়ক আলহাজ্ব নুরুল আমিন-এর বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করে দলের চরম ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব নুরুল আমিন-এর বক্তব্য:"যে কমিটি কেন্দ্রীয়ভাবে অনুমোদিত, তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আব্দুস সালাম রাড়ি প্রকাশ্য অপপ্রচারে মেতে উঠেছেন। কোনো অভিযোগ থাকলে দলীয় ফোরামে আলোচনার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি রাজপথে উসকানিমূলক কাজ করেছেন। এই ধরনের বিতর্কিত ও সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের দলে কোনো স্থান হতে পারে না।"
নেতা কর্মীদের দাবি, দলের সিদ্ধান্ত অমান্য, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অনুমোদনকে অবমাননা এবং প্রকাশ্যে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধে আব্দুস সালাম রাড়িকে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির সকল পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অবিলম্বে স্থায়ী বহিষ্কারের জোর দাবি ও সুপারিশ করা হচ্ছে।
ভোরের আকাশ/এনউব