শিরোনাম
নয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণসড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতরা পাবেন ১-৫ লাখ টাকা, আবেদন যেভাবেসৌদিতে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭ বাংলাদেশিডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৫মার্কিন ভিসা নিয়ে সতর্ক করলো দূতাবাসসিপাহি-জনতার বিপ্লবে অপশক্তি পরাভূত হয়েছিল : প্রধানমন্ত্রীবিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দামজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীনয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণসড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতরা পাবেন ১-৫ লাখ টাকা, আবেদন যেভাবেসৌদিতে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭ বাংলাদেশিডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৫মার্কিন ভিসা নিয়ে সতর্ক করলো দূতাবাসসিপাহি-জনতার বিপ্লবে অপশক্তি পরাভূত হয়েছিল : প্রধানমন্ত্রীবিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দামজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

কুয়েটে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
কুয়েটে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
কুয়েটে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

যথাযোগ্য গুরুত্ব ও তাৎপর্যের মধ্য দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) পালিত হয়েছে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’। 

দিবসটি উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, রচনা প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসব কর্মসূচিতে কুয়েট শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। 

দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত সমন্বিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ। 

বক্তব্যে তিনি বলেন, “জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম ও সম্মিলিত দায়িত্ববোধের চেতনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। 

দেশের কল্যাণ ও অগ্রগতির জন্য আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

 কুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ইসিই বিভাগের প্রফেসর ড. মো. ফারুক হোসেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনে ঐক্য, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও রাষ্ট্রীয় সংহতির এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে। 

রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থ, স্বাধীনতা ও জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। একটি আধুনিক ও মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে জাতীয় সংহতির এই চেতনা পুনরুজ্জীবিত করা জরুরি।” 

শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য প্রফেসর ড. এম. এম. এ. হাসেম তাঁর বক্তব্যে বলেন, “প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের পাশাপাশি জাতীয় চেতনা ও দায়িত্ববোধ ধারণ করতে হবে।” এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. শাহাজাহান আলী। 

তিনি বলেন, “জাতীয় ঐক্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধই সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে সহায়ক।” অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এনার্জি সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর ড. মো. হাসান আলী।

ভোরের আকাশ/রই

শেয়ার করুন: