শিশুর প্রাথমিক চক্ষু পরীক্ষায় সিইআইটিসি ও মমতার সমঝোতা

জন্ম থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের চোখের বিভিন্ন সমস্যা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনতে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি) এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা **মমতা** একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত এ চুক্তি ‘টিকাদানকারীর মাধ্যমে শিশুর প্রাথমিক চক্ষু পরীক্ষা—সুস্থ জীবন, সুস্থ দৃষ্টি’ শীর্ষক প্রকল্পের অংশ হিসেবে সম্পন্ন হয়।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইপিআই টিকাদান কর্মীদের সম্পৃক্ত করে ০ থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের চোখের সম্ভাব্য সমস্যাগুলো শুরুতেই শনাক্ত করা হবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিশুদের দৃষ্টিশক্তি রক্ষা এবং প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব কমিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
জার্মানির কাকস্ আই ক্যান্সার ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এবং রোটারি ক্লাব অব চট্টগ্রাম খুলশি সেন্ট্রালের সমন্বয়ে প্রকল্পটি পরিচালিত হবে। বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)।
সিইআইটিসির সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রকল্পের আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডা. সোমা রানী রায় এবং মমতার কনসালটেন্ট স্বপ্না তালুকদার।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিইআইটিসির কনসালটেন্ট ডা. ফারজানা আক্তার চৌধুরী, সিনিয়র সহকারী সার্জন (পেডিয়াটিক) ডা. অনন্যা সিনহা, মহাব্যবস্থাপক (হিসাব ও অর্থ) মো. গোলাম ফারুক, প্রকল্পের সদস্য সচিব বোরহান উদ্দিন, জুনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. এসকান্দার হোসেন ওয়াসিম, মমতার প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. মাহবুবুল করিম, সহকারী পরিচালক (স্বাস্থ্য কর্মসূচি) প্রবীর কুমার দাশ এবং রোটারি ক্লাব অব চট্টগ্রাম খুলশি সেন্ট্রালের ফার্স্ট প্রেসিডেন্ট মো. মহিউদ্দিন।
আয়োজকদের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে শিশুদের জন্য প্রাথমিক চক্ষু সেবা আরও সহজলভ্য হবে। সময়মতো রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে জটিলতা এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানে ডা. সোমা রানী রায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনস্বাস্থ্যভিত্তিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
ভোরের আকাশ/র.ই