শিরোনাম
রোহিঙ্গা সংকট কেবল মানবিক সমস্যা নয়, এটি গভীর রাজনৈতিক ইস্যু: শামা ওবায়েদটিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে আটক ৩ জনের পরিচয় মিললরাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে, অফিসে নয়: কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীমালিবাগ সিআইডি অফিসের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণবন্দরে পড়ে থাকা সাড়ে ৬ হাজার কনটেইনার ধ্বংসের উদ্যোগরাজধানীতে এবার স্কুল বাসে আগুনশেখ হাসিনার প্রতিটি হত্যার বিচার হবে: রিজভীপররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীরোহিঙ্গা সংকট কেবল মানবিক সমস্যা নয়, এটি গভীর রাজনৈতিক ইস্যু: শামা ওবায়েদটিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে আটক ৩ জনের পরিচয় মিললরাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে, অফিসে নয়: কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীমালিবাগ সিআইডি অফিসের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণবন্দরে পড়ে থাকা সাড়ে ৬ হাজার কনটেইনার ধ্বংসের উদ্যোগরাজধানীতে এবার স্কুল বাসে আগুনশেখ হাসিনার প্রতিটি হত্যার বিচার হবে: রিজভীপররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী

গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৮৫০০ পরিবার পাচ্ছে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৮৫০০ পরিবার পাচ্ছে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান
গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৮৫০০ পরিবার পাচ্ছে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান

‎গাইবান্ধার চরাঞ্চলের দরিদ্র ও অসহায় ৮ হাজার ৫০০ পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াতে জনপ্রতি নয়, পরিবারপ্রতি ৬০ হাজার টাকা করে শর্তহীন আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‎‘চয়েস, হোপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (চর) বাংলাদেশ প্রকল্প’-এর আওতায় আন্তর্জাতিক সংস্থা গিভডিরেক্টলির সহযোগিতায় স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে) এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

‎রোববার (৮ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে গাইবান্ধায় জিইউকে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত এক ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন জিইউকের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান এম. আবদুস্ সালাম।

‎অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি, ফজলুপুর ও এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়ন এবং সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের মোট ৮ হাজার ৫০০ পরিবার এ সহায়তা পাবে। দুই ধাপে প্রতিটি পরিবারকে সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে চলতি নভেম্বর মাসে ৯ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে আগামী ডিসেম্বরে বাকি ৫১ হাজার টাকা বিতরণ করা হবে।

‎এম. আব্দুস সালাম বলেন, এ অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে উপকারভোগী পরিবারগুলোর ওপর কোনো শর্ত আরোপ করা হবে না। তারা নিজেদের প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার অনুযায়ী ঘরবাড়ি মেরামত, গবাদিপশু কেনা, ছোট ব্যবসা শুরু বা সম্প্রসারণ, সন্তানদের শিক্ষা কিংবা সঞ্চয়ের কাজে অর্থ ব্যয় করতে পারবেন।

‎তিনি আরও জানান, চরাঞ্চলের দরিদ্র পরিবারগুলোকে নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অর্থ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়াই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে পরিবারগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়তা মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‎মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন  জিইউকের পরিচালক আবু সায়েম মো. জান্নাতুন নূর রিশাত, গিভডিরেক্টলির অ্যাসোসিয়েট ফিল্ড ম্যানেজার মো. রাশেদুল ইসলাম এবং প্রকল্প সমন্বয়কারী জয়া প্রসাদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ভোরের আকাশ/রই
‎

শেয়ার করুন: