শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আশুলিয়ায় বকেয়া বেতন ও কারখানা খোলার দাবিতে বিক্ষোভ

আশুলিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

ঢাকার আশুলিয়ায় বন্ধ হয়ে যাওয়া ইনজেনিটেক্স গ্রুপের ইউফোরিয়া এ্যাপারেলস্  নামে একটি কারখানার শ্রমিকরা বকেয়া বেতন পরিশোধ ও কারখানা পুনরায় চালুর দাবিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে আশুলিয়ার শিমুলতলা বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বন্ধ কারখানাটির অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইনজেনিটেক্স কারখানার সামনে অবস্থান নেন শ্রমিকরা। এ সময় প্রায় ১২০০ শ্রমিক দুই মাসের বকেয়া বেতনসহ সব পাওনা পরিশোধ এবং কারখানা খুলে দেওয়ার দাবি জানান।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সুমাইয়া নামে এক সুইং অপারেটর বলেন,অভাবের তাড়নায় তিন মাসের শিশুকে রেখে গার্মেন্টসে কাজ করতে হয়। আমার বেতনের টাকায় একদিকে বাবা-মা, অন্যদিকে নিজের সংসার চালাতে হয়। সেই টাকায় আমার শিশুর দুধও কিনতে হয়। কিন্তু নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসের বেতন না দিয়ে হঠাৎ করেই কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন,বারবার বেতন দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তারিখ দিলেও তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। সামনে ঈদ, বাসা ভাড়া ও দোকানের বাকি কীভাবে পরিশোধ করবো বুঝতে পারছি না। এখন নতুন চাকরিও পাওয়া কঠিন। তাই ঈদের আগেই আমাদের বকেয়া বেতন ও সার্ভিস বেনিফিট পরিশোধের দাবি জানাই।

এব্যাপারে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির সভাপতি মো.ফরিদুল ইসলাম বলেন,দুই মাসের বেতন বকেয়া রেখে কারখানা বন্ধ করে দেওয়া অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। আমরা বিজিএমইএ ও মালিক পক্ষের কাছে ঈদের আগেই শ্রমিকদের সব পাওনা দ্রুত পরিশোধের দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় কারখানার সামনে আমাদের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে জানতে কারখানাটির জিএম মাসুদ রানার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এবিষয়ে শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার মো. মমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, শ্রমিকদের পাওনা নিয়ে মালিকপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। তবে মালিকপক্ষ এখনো তা পরিশোধ করতে পারেনি। বর্তমানে শ্রমিকরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে। আমাদের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এর আগে শ্রমিক ও মালিক পক্ষকে নিয়ে বৈঠক ও চুক্তিও করা হয়েছিল, কিন্তু তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।

ভোরের আকাশ/ র.ই

 

 

 

 

 

 


 

বিক্ষোভমো.ফরিদুল ইসলাম

শেয়ার করুন: