শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু, বিভিন্ন এলাকায় তীব্র হচ্ছে নদী ভাঙন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১ জুলাই ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি-ভোরের আকাশ
ছবি-ভোরের আকাশ

উজানের ঢল কমে আসায় কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি কমতে শুরু করেছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, জেলার প্রায় সবকটি প্রধান নদীর পানির উচ্চতা হ্রাস পেয়েছে। তবে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করায় নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ধরলা নদীর কুড়িগ্রাম পয়েন্টে সকাল ৬টায় পানির উচ্চতা ছিল ২৫ দশমিক ৬২ মিটার। সন্ধ্যা ৬টায় তা কমে ২৫ দশমিক ৫৫ মিটারে নেমে আসে, যা বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। একই সময়ে তালুকশিমুলবাড়ী পয়েন্টে পানির উচ্চতা ৩০ দশমিক ২৫ মিটার থেকে কমে ৩০ দশমিক ০২ মিটারে নেমেছে।

দুধকুমার নদীর পাটেশ্বরী পয়েন্টে সকাল ৬টায় পানির উচ্চতা ছিল ২৯ দশমিক ৮২ মিটার। সন্ধ্যা ৬টায় তা কমে ২৯ দশমিক ৬৫ মিটারে এবং রাত ৯টায় আরও কমে ২৯ দশমিক ৫৮ মিটারে নেমে আসে। ফলে রাত ৯টায় নদীটি বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

ব্রহ্মপুত্র নদের নুনখাওয়া পয়েন্টে পানির উচ্চতা ২৫ দশমিক ৩৮ মিটার থেকে কমে ২৫ দশমিক ৩৩ মিটারে, এ. হাটিয়া পয়েন্টে ২৩ দশমিক ৭৫ মিটার থেকে ২৩ দশমিক ৭০ মিটারে এবং চিলমারী পয়েন্টে ২২ দশমিক ৬৮ মিটার থেকে ২২ দশমিক ৬১ মিটারে নেমেছে। অন্যদিকে তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানির উচ্চতা সকাল ৬টার ২৯ দশমিক ০৮ মিটার থেকে সন্ধ্যা ৬টায় ২৮ দশমিক ৮৪ মিটারে নেমে আসে, যা বিপৎসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার নিচে অবস্থান করছে।

আরও পড়ুন

সাটুরিয়ায় বলাৎকারের শিকার ৬ বছরের শিশু, হাসপাতালে ভর্তি

এদিকে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন নদীতে তীরভাঙন নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করছে। ধরলা, দুধকুমার, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলোতে নতুন করে ক্ষয় শুরু হয়েছে। সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের খেয়ার আলগাচর, ফুলবাড়ী উপজেলার চর গোরকমন্ডল, রাজারহাট উপজেলার রামহরি, নাগেশ্বরীর চর লুচনি ও চর বলরামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বসতভিটা, ফসলি জমি ও গ্রামীণ সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নতুন নতুন এলাকায় ভাঙন দেখা দেওয়ায় নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে ভীতি ও উৎকণ্ঠা বাড়ছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম বলেন, "উজানের ঢল কমে আসায় জেলার অধিকাংশ নদ-নদীর পানি এখন হ্রাস পাচ্ছে। তবে পানি কমার সময় নদীর গতিপ্রকৃতি পরিবর্তনের কারণে তীরভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলো সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। চর গোরকমন্ডল এলাকায় দুই হাজার এবং রাজারহাটের রামহরি এলাকায় ছয় হাজার জিওব্যাগ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনে আরও জিওব্যাগ সরবরাহ করা হবে এবং কোথাও জরুরি ভাঙন দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ভোরের আকাশ/এম

কুড়িগ্রাম

শেয়ার করুন: