শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পাবনায় মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষে ব্যাপক সাড়া

পাবনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

কৃষি আবাদে যখন বিষে বিষে জড়জড়িত ঠিক সেই সময়ে মালচিং পেপার পদ্ধতিতে প্রায় বিষমুক্ত সবজি চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন পাবনার কৃষকেরা।কৃষি খাতে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও কারিগরী সহায়তা দিয়ে গ্রামের মানুষদের বেকারত্ব দূরীকরণ ও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলে পাবনায় ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পিকেএসএফ’র সহযোগিতায় জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন নামের একটি সংস্থা। তাদের সহযোগিতায় এই মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে সবজি চাষের মাধ্যমে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন।

পাবনা জেলার, সদর, আটঘরিয়া ও ঈশ্বরদী উপজেলার ১৫টি প্রদর্শণী ক্ষেতে কৃষককে আধুনিক মালচিং পদ্ধতির প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উপযুক্ত ধারণা দিয়ে জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের কারিগরী ও আর্থিক সহযোগিতা্য় তাদেরকে করলা, টমেটো, বেগুন, স্কোয়াশ ও লাউসহ বিভিন্ন সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে সবজি চাষে সার ও বিষ খুবই কম লাগে। খরচ কম হওয়ার ফলে কৃষকেরা আর্থিকভাবে বেশ লাভবান হয়েছেন।

পাবনা সদর, আটঘরিয়া ও ঈশ্বরদী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কৃষকেরা এই মালচিং পেপার পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন। ঈশ্বরদী উপজেলার আথাইলশিমুল গ্রামের আসমা-বেলাল দম্পতি তাদের ২০শতাংশ জমিতে মালচিং পেপার পদ্ধতিতে গ্লোরি জাতের করলা চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। মাত্র ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ করে মালচিং পদ্ধতিতে করলা চাষ করে ২ সপ্তাহে প্রায় ২০ হাজার টাকার করলা বিক্রি করেছেন। এখান থেকে তিনি ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকার করলা বিক্রি করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মালচিং পদ্ধতির আবাদে সার বিষ ও শ্রমিক খুবই কম লাগে কিন্তু ফলন হয় ভালো। জমিতে আগাছাও হয় কম। খরচ কম হওয়ায় লাভের পরিমান টা বেশি হয়।

আরও পড়ুন

রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও ১২ সদস্যকে বিএনপি নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা

কৃষক বেলাল হোসেন বলেন, তিনি জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন থেকে প্রশিক্ষণনিয়ে এই মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। আগামীতে আরো বেশি করে আবাদ করবেন। একই এলাকার মিজানুর রহমান, তাজু প্রামানিক, আজিজল মল্লিক, আয়েজ উদ্দিনসহ অনেকেই বলছেন তারা আগে কখনো এই পদ্ধতির আবাদ দেখেন নাই। এবার দেখে ইচ্ছা হচ্ছে আগামীতে তারাও মালচিং পদ্ধতিতে আবাদ করবেন।

পাবনার জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল মজিদ সম্রাট জানান, চীন জাপান আমেরিকারসহ বিভিন্ন উন্নত দেশে অনেক আগেই মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করছেন। আমাদের দেশে এখন শুরু। এই পদ্ধতিতে খরচ কম লাগে। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় কৃষকেরা আগ্রহী হচ্ছেন বেশি। এছাড়া জমির উর্রবরতাও নষ্ট হয় না। তাদের উদ্দেশ্য একটাই কৃষককে আর্থিকভাবে লাভবান এবং দেশের সবজি চাহিদার পূরণ হোক। নতুন নতুন পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য কৃষকদের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে জাগরণী চক্র পাশে থাকবেন এবং কৃষকদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলবেন এমনটাই প্রত্যাশ্যা এলাকাবাসীর।

ভোরের আকাশ/ইউএম

পাবনায় মালচিং পদ্ধতি

শেয়ার করুন: