মাগুরায় যুবদল নেতা হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

মাগুরা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে শহরের মধুমিতা সিনেমা হলের সামনে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সদস্য মো: কুতুব উদ্দিন, পৌর বিএনপি’র সভাপতি মাসুদ হাসান খান কিজিল, যুবদলের সভাপতি ওয়াশিকুর রহমান কল্লোল, সিনিয়র সহসভাপতি মো: আমিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গোলাম জাহিদ, সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মারুফ হোসেন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ সময় নেতাকর্মীরা সাকের হোসেন হত্যার বিচার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টা পার হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা। বক্তারা অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি দাবী জানান।
এদিকে এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত যুবদল নেতা সাকের হোসেনের স্ত্রী শারমিন নাহার বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাবাদের জন্য সন্দেহভাজন দুইজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাগুরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন।
উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার ভোর ৬টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টার থেকে যুবদল নেতা সাকের হোসেনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এসময় তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্র দেখতে পাওয়া যায়। ময়নাতদন্ত শেষে তার মাথা থেকে একটি গুলি বের করা হয়।
ভোরের আকাশ/সু.পা