সন্দ্বীপে পুলিশ সদস্যকে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মাদকের বিরুদ্ধে মন্তব্য করাকে কেন্দ্র করে এক পুলিশ সদস্যকে প্রহার, জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া এবং এক লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে মো. করিম (৩৩) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পণ্ডিতের হাট অঞ্চল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক করিম স্থানীয় আব্দুল হাদীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যাটালিয়নে (এসপিবিএন-১) কর্মরত কনস্টেবল ইসমাঈল হোসেন ছুটিতে নিজ গ্রামে এসেছিলেন। ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি পণ্ডিতের হাটের একটি বাইসাইকেল মেরামতের দোকানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় করিমের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল তাকে ঘিরে ধরে এলোপাতাড়ি মারধর করে।
পরবর্তী সময়ে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নিকটস্থ খুশি জামে মসজিদ সংলগ্ন সড়কে আটকে রাখা হয় এবং এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের মানুষ এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সটকে পড়ে। পরবর্তীতে তার ভাই তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী কনস্টেবল ইসমাঈল হোসেন ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫ থেকে ৮ জনকে আসামি করে সন্দ্বীপ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন হালদার জানান, এজাহারনামীয় আসামি করিমকে গ্রেপ্তার করে ইতোমধ্যে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সার্বিক তদন্ত চলছে এবং জড়িত অন্যান্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোরের আকাশ/সু.পা