আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে গেল ৩০ মণ ইলিশ

দুর্গাপূজা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে প্রায় ৩০ মণ ইলিশ মাছ রপ্তানি করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ৩টার দিকে প্রথম চালানে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ইলিশ বোঝাই দু’টি পিকআপ ভ্যান ভারতের আগরতলা স্থলবন্দরে প্রবেশ করে।
রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মাহতাব এন্টারপ্রাইজ প্রতি কেজি ১২. ৫ মার্কিন ডলার দরে যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৫২৫ টাকায় মাছগুলো রপ্তানি করেন। মাছের আমদানিকারক ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার মেসার্স পরিতোষ বিশ্বাস। মাছগুলোর কাস্টমস ক্লিয়ারিংয়ের কাজ করে আখাউড়া স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স সাকিয়াত কনস্ট্রাকশন।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স সাকিয়াত কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী ফারুক মিয়া জানান, ৩টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৯০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন পাওয়া গেছে। প্রথম চালানে ১ হাজার ১৯২ কেজি ইলিশ মাছ রপ্তানি করা হয়েছে।
দুর্গাপূজা শুরুর আগের দিন পর্যন্ত ভারতে ইলিশ মাছ রপ্তানি হবে। তবে বাজারে ইলিশের সংকটের কারণে অনুমোদনের সমপরিমাণ মাছ রপ্তানি করা যাবে না।
উল্লেখ্য, ইলিশ রপ্তানি একসময় উন্মুক্ত থাকলেও ২০১২ সালে উৎপাদন সংকটের কারণে তা বন্ধ করে দেয়া হয়। তবে ২০১৯ সাল থেকে দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে বিশেষ বিবেচনায় সীমিত পরিমাণে ইলিশ রপ্তানির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
গত বছর ২ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু রপ্তানি হয় ১ হাজার ৩০৬ দশমিক ৮১৩ মেট্রিক টন ইলিশ। যা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া রপ্তানি আদেশের ৪৪ ভাগ। অনেক প্রতিষ্ঠান মাছ না পেয়ে ইলিশ রপ্তানি করতে পারেনি। এবারও মাছ সংকট ও অতিরিক্ত মূল্যের কারণে মাছ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো মনে করছেন সব মাছ রপ্তানি করা সম্ভব হবে না।
ভোরের আকাশ/জাআ