শিরোনাম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

বাঁচতে দরকার ১৫ লাখ টাকা

ক্যান্সারের কাছে হার মানতে চান না নুরুন্নাহার

আশুলিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৬ জুলাই ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

মাত্র ৪২ বছর বয়স। এখনও বেঁচে থাকার কত স্বপ্ন ছিল। কিন্তু মেরুদণ্ডের ক্যান্সার সেই স্বপ্নগুলোকে যেন একে একে গ্রাস করে নিয়েছে। 

জীবন বাঁচাতে চিকিৎসার পেছনে বিক্রি করতে হয়েছে নিজের মাথাগোঁজার একমাত্র বসতভিটাও। আজ তিনি নিঃস্ব। অসহায়। তবুও বাঁচতে চান শুধু একমাত্র ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে।

ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার গৌরীপুর এলাকার বাসিন্দা নুরুন্নাহার বর্তমানে একই এলাকার চারাবাগ কিংস হাউজিংয়ে ভাড়া বাসায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। 

স্বামীকে হারানোর পর একমাত্র ছেলে ফাহিমকেই আঁকড়ে ধরে ছিল তার জীবন। কিন্তু এসএসসি পাস করার পরই ছেলের সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। কারণ, ঠিক তখনই নুরুন্নাহারের মেরুদণ্ডে ক্যান্সার ধরা পড়ে।

মায়ের চিকিৎসার খরচ জোগাতে বাধ্য হয়ে লেখাপড়া ছেড়ে দেন ফাহিম। সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন তিনি। তবুও মায়ের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে চিকিৎসার জন্য বিক্রি হয়ে গেছে পরিবারের একমাত্র বসতভিটা। এখন ভাড়া বাসায় দিন কাটছে তাদের।

চিকিৎসকদের মতে, নুরুন্নাহারের সুস্থ হওয়ার জন্য জরুরি ভিত্তিতে তিনটি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যয় হবে, যা দরিদ্র এই পরিবারের পক্ষে কোনোভাবেই জোগাড় করা সম্ভব নয়।

অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে নুরুন্নাহার বলেন, আমি বাঁচতে চাই। আমার ছেলেটার জন্য বাঁচতে চাই। সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষ যদি একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, তাহলে হয়তো আবার নতুন করে বাঁচার সুযোগ পাব। মাকে বাঁচানোর আকুতি জানিয়ে ছেলে ফাহিম ও তার স্ত্রীও সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

প্রতিবেশীরাও বলেন, নুরুন্নাহার অত্যন্ত অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। তারা সরকার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিত্তবানদের দ্রুত এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ক্যান্সার রোগীদের জন্য সরকারি অনুদানের ব্যবস্থা রয়েছে। নুরুন্নাহার আবেদন করলে প্রয়োজনীয় অনুদান প্রদানের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি তিনি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদেরও এই অসহায় নারীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

একসময় যার নিজের একটি ঠিকানা ছিল, আজ তিনি ভাড়া বাসার ছোট্ট একটি কক্ষে মৃত্যুর সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করছেন। পাশে আছেন শুধু একমাত্র ছেলে, ছেলের স্ত্রী এবং কিছু সহানুভূতিশীল মানুষ। প্রায় ১৫ লাখ টাকার অভাবে থমকে যেতে বসেছে তার বাঁচার শেষ আশা।

মানুষ মানুষের জন্য এই বিশ্বাস থেকেই হয়তো একজন মায়ের জীবন আবারও ফিরে পেতে পারে নতুন আলো। সমাজের সামর্থ্যবানদের একটু সহযোগিতাই হতে পারে নুরুন্নাহারের বেঁচে থাকার শেষ ভরসা।

আরও পড়ুন

পল্লী উন্নয়নে সরকারের প্রতিটি উদ্যোগ তাৎপর্যপূর্ণ : এরশাদ উল্লাহ

সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা : বিকাশ: ০১৯৪৬১৪৩৮২১ ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি হিসাব নম্বর: ৭০১৭৪১৮৭১৯২৬৩ শাখা: নরসিংহপুর, আশুলিয়া।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

নুরুন্নাহার

শেয়ার করুন: