কেএমপি পুলিশ লাইন্সে প্রীতিভোজে কমিশনারের সঙ্গে ক্ষুদে মেহমানরা

ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবিকতার মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) পুলিশ লাইন্সে আয়োজন করা হয় আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ এক প্রীতিভোজের।
আনন্দঘন এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সবার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও আনন্দ ভাগাভাগি করেন কেএমপি কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা।
তবে আয়োজনের সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী মুহূর্ত হয়ে ওঠে সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুদের উপস্থিতি। সিইউসি স্কুলের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ঈদের আনন্দে সামিল করতে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয় এ প্রীতিভোজে।
কমিশনার পরম স্নেহ, মমতা ও পিতৃতুল্য আন্তরিকতায় নিজ হাতে শিশুদের প্লেটে খাবার তুলে দেন। তার এই মানবিক আচরণে শিশুদের মুখে ফুটে ওঠে নির্মল হাসি, চোখে ঝলমল করে আনন্দের দীপ্তি। কেএমপি কমিশনারের সান্নিধ্যে প্রীতিভোজে অংশ নিতে পেরে তারা হয়ে ওঠে আবেগাপ্লুত ও আনন্দিত।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কমিশনার বলেন, “পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগ ও উৎসর্গের শিক্ষা দেয়। সাধারণ মানুষ যখন পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ উদযাপন করছেন, তখন আমাদের পুলিশ সদস্যরা জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তাদের এই ত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।”
তিনি আরও বলেন, “উৎসবের দিনেও মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা যাতে একা বা পরিবারহীন বোধ না করেন, সেজন্যই এই যৌথ প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়েছে।” পাশাপাশি তিনি সকলকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মনোবল চাঙ্গা ও সতেজ রাখার আহ্বান জানান।
মানবিকতা, ভালোবাসা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকা এ আয়োজন ঈদের আনন্দকে শুধু উৎসবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং সমাজের অবহেলিত শিশুদের হৃদয়েও ছড়িয়ে দিয়েছে আপন হয়ে থাকার উষ্ণতা ও ভালোবাসার বার্তা।
ভোরের আকাশ/এম