শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গোপালগঞ্জে হামলা-সংঘর্ষে নিহত ৪

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৫, ৭:২৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত পদযাত্রা ও সমাবেশে হামলার জেরে ছাত্রলীগ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে হাসপাতাল ও নিহতের পরিবার সূত্রের এ তথ্য জানা গেছে। এর মধ্যে দুজন হলেন গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের বাসিন্দা সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা (২৫) ও কোটালীপাড়ার রমজান কাজী (১৮।

গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জীবিতেষ বিশ্বাস বলেন, বিকেলে তিনজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তারা গুলিবিদ্ধ ছিলেন। এছাড়া আরও ৯ জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাদের অস্ত্রোপচার চলছে।

এরআগে, আজ বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্ক এলাকায় এনসিপির পদযাত্রা শেষে সমাবেশ চলাকালীন হঠাৎ করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ এনসিপির। হামলাকারীরা সমাবেশস্থলে ঢুকে মঞ্চ ভাঙচুর করে, সাউন্ড সিস্টেম ও চেয়ার-টেবিল ছুড়ে ফেলে দেয় এবং নেতাকর্মীদের মারধর করে।

এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে, ফলে মুহূর্তেই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা এনসিপির গাড়িবহরের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে।

এ ঘটনায় গোটা গোপালগঞ্জ শহরে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থানীয় প্রশাসন শহরে ১৪৪ ধারা জারি করেছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

গোপালগঞ্জনিহতসংঘর্ষহামলা

শেয়ার করুন: