শিরোনাম
নয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণসড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতরা পাবেন ১-৫ লাখ টাকা, আবেদন যেভাবেসৌদিতে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭ বাংলাদেশিডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৫মার্কিন ভিসা নিয়ে সতর্ক করলো দূতাবাসসিপাহি-জনতার বিপ্লবে অপশক্তি পরাভূত হয়েছিল : প্রধানমন্ত্রীবিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দামজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীনয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণসড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতরা পাবেন ১-৫ লাখ টাকা, আবেদন যেভাবেসৌদিতে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭ বাংলাদেশিডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৫মার্কিন ভিসা নিয়ে সতর্ক করলো দূতাবাসসিপাহি-জনতার বিপ্লবে অপশক্তি পরাভূত হয়েছিল : প্রধানমন্ত্রীবিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দামজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

৭ নভেম্বর দেশে রাজনৈতিক ও সংস্কৃতির ঐক্যের ভীত রচিত হয়

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
৭ নভেম্বর দেশে রাজনৈতিক ও সংস্কৃতির ঐক্যের ভীত রচিত হয়
৭ নভেম্বর দেশে রাজনৈতিক ও সংস্কৃতির ঐক্যের ভীত রচিত হয়

 ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সংস্কৃতির ঐক্যের মেল বন্ধন। 

১৯৭১ সালে দেশ একটি স্বাধীন ভূ-খন্ড লাভ করলেও রাজনৈতিক ও সংস্কৃতির ঐক্য গড়ে ওঠেনি। পুরো জাতিকে বিভাজনের দিকে ঠেলে দিয়ে একদলীয় শাসনের মাধ্যমে স্বৈরাচারী ব্যবস্থা কায়েম করা হয়েছিল। 

বিদেশি আধিপত্যবাদীদের মদদে পর্দার আড়ালে ষড়যন্ত্র চলে। দেশে একের পর এক সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্যে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বন্দী করা হয়। কিন্তু দেশ প্রেমিক সিপাহিরা সেদিন বিদ্রোহ ঘোষণা করে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতির অভ্যুত্থান ঘটায়। 

যে বিপ্লবের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যের ভীত রচিত হয়। প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র। তাই ৭ নভেম্বর হলো এ দেশের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। এই দিনটি যারা অস্বীকার করে তারা জাতিকে বিভাজন করতে চায়। 

তারা দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রকারী। সময় এসেছে তাদের প্রতিহত করার। নেতৃবৃন্দ সকলকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ষড়যন্ত্রকারীদের  রুখে দেওয়ার আহবান জানান।

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।

 শনিবার ৭ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব  করেন এমইউজে সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবু তৈয়ব। সভা পরিচালনা করেন, সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম শামিমুজ্জামান। 

অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ হাসান আহমেদ মোল্লা, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ পরিচালক গাজী আলাউদ্দিন আহমদ।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন, খুলনা প্রেস ক্লাবের  সিনিয়র সহ সভাপতি সোহরাব হোসেন, দৈনিক জন্মভূমির নির্বাহী সম্পাদক সরদার আবু তাহের, বার্তা সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত রুমি, খুলনা প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন সজল, এমইউজের সহ-সাধারণ সম্পাদক ফকির শহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ রাজু আহমেদ, ক্রীড়া ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক খাইরুল আলম, নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান, রামিম চৌধুরী, দৈনিক কালবেলার ব্যুরো প্রধান নুরুল আমিন নুর। 

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এমইউজের সদস্য মো. আনিস উদ্দিন, শেখ আঃ গফ্ফার, শেখ বদর উদ্দিন,  আজিজুল ইসলাম, আরাফাত হোসেন অনিক,  মাসুদ আল হাসান, আহসানুল আমীন জর্জ, এম রোমানিয়া, এইচ এম সাগর, এস এম ইসলাম আলী, এম সাইফুল ইসলাম, আবু বক্কর, শেখ আকবর আলী মোল্লা, শেখ রফিকুল ইসলাম, মো. জাফর ইকবাল, উম্মে উমামা রাত্রী, কনিকা আক্তার কাকন, আহম্মদ হুসাইন প্রমুখ।

ভোরের আকাশ/রই

শেয়ার করুন: