শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৩৪ জন গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের আওতাধীন ১১ জেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং এসব মামলায় ১৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে ৯৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক নির্মূল ও মাদকের বিস্তার রোধে গত ২৪ ঘণ্টায় রেঞ্জের ১১ জেলার বিভিন্ন থানা ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সমন্বিতভাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও মাদক পরিবহনের সঙ্গে জড়িত যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীর তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে মোট ২২ হাজার ১২৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৬৪ কেজি ২৭৯ গ্রাম গাঁজা, ১৫৬ লিটার মদ, ২০ বোতল স্কফ সিরাপ, ২৪ ক্যান বিয়ার এবং এক হাজার ৪৫০ পিস ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে ইয়াবা ও ট্যাপেনটাডলের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অভিযান চলাকালে মাদকদ্রব্যের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিভিন্ন ব্যক্তি আটক হন। পরে যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩১টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় মোট ১৩৪ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

পুলিশের পাশাপাশি মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতও পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মাদক সেবন, সংরক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ৯৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন মামলা ও অভিযানে মোট ১৯ হাজার ১২০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, মাদকদ্রব্যের অবৈধ সরবরাহ, পরিবহন ও বিক্রি বন্ধে নিয়মিত অভিযান আরও জোরদার করা হবে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকা, মহাসড়ক, নৌপথ এবং মাদক পরিবহনের সম্ভাব্য রুটগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন

বন্দরে ইজিবাইক গ্যারেজে ডাকাতি, ডাকাত সর্দার আটক

চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতাও গুরুত্বপূর্ণ। মাদক কারবার বা মাদক পরিবহনের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত অভিযান, আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা বাড়ানো গেলে চট্টগ্রাম রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। মাদকবিরোধী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

ভোরের আকাশ/সু.পা

মাদকবিরোধী অভিযানচট্টগ্রাম

শেয়ার করুন: