শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মানিকগঞ্জে অপহরণের তিনদিনেও খোঁজ মেলেনি আল আমীনের

সিপন আহমেদ, মানিকগঞ্জ

প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৫, ৪:৫৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
মানিকগঞ্জে অপহরণের তিনদিনেও খোঁজ মেলেনি আল আমীনের
মানিকগঞ্জে অপহরণের তিনদিনেও খোঁজ মেলেনি আল আমীনের

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গোপালপুর বাধটিয়া গ্রামে আল আমীন (২০) নামের এক তরুণকে অপহরণের তিন দিন পার হলেও এখনো তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি। পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পরিচিত ও চিহ্নিত হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। উল্টো পুলিশ বলছে, অভিযুক্তরা ‘ভালো লোক’।

ভুক্তভোগী আল আমীনের বাবা মো. নায়েব আলী গত ১০ জুন মঙ্গলবার মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে বলা হয়, ৯ জুন সোমবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি আল আমীনকে চোখ বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। অভিযুক্তরা হলেন—মো. রনি মিয়া (২২), মো. হৃদয় (২১), কাশেম আলী (৬৫) এবং রিতু আক্তার (২৫)। তাঁরা সবাই মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার লওখন্ডা গ্রামের বাসিন্দা।

পরিবারের দাবি, অপহরণের এক ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে একটি অচেনা নম্বর থেকে আল আমীনের বড় বোন ঝুমা আক্তারের ফোনে কল আসে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে আল আমীন বলেন, “আপু, আমাকে বাঁচাও। আমাকে চোখ বেঁধে কোথায় যেন এনে রেখেছে, আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।” এরপর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, একই দিন সন্দেহভাজন আসামি মো. হৃদয় একটি নম্বর থেকে নায়েব আলীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে তাঁর অবস্থান জানতে চায়। অবস্থান দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফোনেই তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়।

নায়েব আলীর দাবি, অভিযুক্তদের সঙ্গে তাঁর আগেও পারিবারিক বিরোধ ছিল এবং তারা বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছিল।

“আমার ছেলেকে তারা পরিকল্পিতভাবে তুলে নিয়ে গেছে। তিন দিন হয়ে গেল, কোনো খোঁজ নেই। পুলিশ শুধু আশ্বাস দিচ্ছে, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না,” বলেন তিনি।

অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ এখনও কোনো অভিযুক্তকে আটক না করে উল্টো বলছে, অভিযুক্তরা ‘ভালো লোক’।

এই অভিযোগটির তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর পুলিশ ফাড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রদীপ। অপহৃতকে উদ্ধার ও অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করে উল্টো 'ভালো লোক' বলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

মানিকগঞ্জ সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. সালাউদ্দিন বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমেই জানলাম। আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

মানিকগঞ্জঅপহরণ

শেয়ার করুন: